রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। গতকাল রবিবার সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এই আহŸান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, রেল কর্তৃপক্ষ ঢাকা–কক্সবাজারসহ পূর্বাঞ্চল রেলের ছয়টি রুটে ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে, যা গত শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিভিন্ন রেলসেতুর মাশুল বাড়িয়ে পূর্বাঞ্চল রেলের যাত্রীভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে হঠকারী উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, এসব রুটে গত ১৩ বছরে পাঁচ দফা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ইতোমধ্যে কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় আকস্মিকভাবে ট্রেনভাড়া বৃদ্ধি করায় এসব রুটের নিয়মিত যাত্রীদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
টিকিটবিহীন ৪ হাজার যাত্রী, আদায় ৮ লাখ টাকা
একদিনে ৮৩টি ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে টিকিটবিহীন ৪ হাজার ৬০ জন যাত্রীকে শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তাদের কাছ থেকে ভাড়াসহ জরিমানা আদায় হয়েছে মোট ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮০ টাকা। গতকাল রবিবারবাংলাদেশ রেলওয়ের ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশ করা এক তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়।
সেখানে বলা হয়, শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত অভিযানে মোট ৮৪ জন টিটিই কাজ করেছেন। তারা ৮৩টি ট্রেনে টিকিট পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে টিকিটবিহীন ভ্রমণকারী শনাক্ত হয়েছেন মোট ৪ হাজার ৬০ জন।
অভিযানে মোট ভাড়া আদায় হয়েছে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৫ টাকা এবং জরিমানা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ টাকা। সব মিলিয়ে রেলওয়ের আয় দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮০ টাকা। ওইদিন মোট ১ হাজার ২৭৮টি টিকিট যাচাই করা হয়।



