নোয়াখালীর সুধারাম এলাকায় মাদ্রাসার মসজিদের বারান্দায় ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. আকাশ উদ্দিনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার উত্তরার পূর্ব থানার আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকার একটি সিএনজি পাম্পের সামনে থেকে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও এসআরবি-১০, সিপিসি-৩ লালবাগের যৌথ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার আকাশ উদ্দিন নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গানগর এলাকার আমজাদ হাজীর বাড়ির আমির হোসেনের ছেলে। তিনি নিহত কামাল উদ্দিনের সাবেক শ্যালক।
এসআরবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবেক শ্যালক আকাশ উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা কামাল উদ্দিনকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে আকাশ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার এলাকায়। তার সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। কয়েক দিন আগে একমাত্র মেয়েকে দেখতে তিনি সাবেক শ্বশুরবাড়ি সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গানগর গ্রামে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক শ্বশুরবাড়িতে থাকার জায়গা না পেয়ে কামাল উদ্দিন এলাকার মুহাম্মদিয়া নূরানি মাদ্রাসায় রাত কাটাতেন এবং দিনে শ্রমিকের কাজ করতেন। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদ্রাসার মসজিদের বারান্দায় পুকুরপাড়ে ইটের ওপর গামছা বিছিয়ে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। এ সময় তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবদুল হক বাদী

