সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ আইনগতভাবে ফেরত চায় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমরা চাই তিনি (শেখ হাসিনা) মামলা ফেস করুক। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রামিসা ও সা¤প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসছে- পলাতক শেখ হাসিনা আবার দেশে ফিরতে চান। সাংবাদিকের এই প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো তাকে (শেখ হাসিনা) ফেরত চাই, আইনিভাবে চাই, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা অনুরোধ করেছি। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনাকে ফেরত চাই। আমরা চাই তিনি (শেখ হাসিনা) মামলা ফেস করুক।’
শেখ হাসিনা যখন কোনো বিবৃতি দেয় তখন গণমাধ্যম সেটা প্রচার করে, এ ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ রকম বিধিনিষেধ আছে বলে আমার জানা নেই। যদি কোনো গণমাধ্যম কোনো বক্তব্য প্রচার করে সেক্ষেত্রে আদালতের যদি কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে সেই ব্যক্তির বক্তব্য প্রচার করতে পারে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেটা গণমাধ্যমের ফলো করা উচিত।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যারা ভারতে প্রবেশ করেছে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করা হবে। ৫ আগস্টের পর অনেকেই ভারতে প্রবেশ করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভারত সরকারের নিজস্ব আইনকানুনের বিষয়। ভারতের আইন যেটা আছে সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) সেরকম আরও একটা আইন আছে ন্যাশনাল সিটিজেন অব রেজিস্টার (এনআরসি); এগুলো ভারত কীভাবে নির্ধারণ করবে তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হয়েছে, তাদের হয়তো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কী করবে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। এখানে আমাদের কোনো বক্তব্য থাকার কথা নয়। আমাদের সীমান্তে বিজিবি মোতায়েন আছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।
পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো একটা ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে পুলিশের দায়িত্ব থাকে, তারা পালন করে আইন অনুযায়ী। কিন্তু প্রোঅ্যাক্টিভ কাজ হচ্ছে ঘটনা সংগঠিত না হতে পারে। যেমন মাদক উদ্ধার, চোরাচালান ঠেকানো কিংবা মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হয়, এগুলো প্রোঅ্যাক্টিভ।



