কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষ। প্রায় সব ধরনের সবজির দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকা এবং শুকনা মরিচ ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটল, ঢেঁড়স ও বেগুন ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঝিঙা ৩০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কচু ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

অন্যদিকে, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা এবং রসুন ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো কোনো স্থানে আলু ১৫ টাকা কেজিতেও বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের ব্যয়ভার বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দামের ওঠানামা সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
বালারহাট বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা দিনমজুর নজরুল ইসলাম ও কাসেম আলী বলেন, এক সপ্তাহ আগেও কাঁচা মরিচের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি ছিল। অন্যান্য সবজির দামও কেজিপ্রতি ৫০ টাকার ওপরে ছিল। গত তিন দিন ধরে কাঁচা মরিচের দাম কমে ২৪০ টাকায় নেমেছে। অন্যান্য সবজির দামও কিছুটা কমেছে। তবে নিত্যপণ্যের সামগ্রিক দাম এখনো বেশি থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ী নতু মিয়া ও হেলাল মিয়াসহ কয়েকজন জানান, এবার ঘনঘন বৃষ্টির কারণে মরিচসহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং পাইকারি দাম কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমে আসবে বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা আক্তারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



