উত্তরের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা

উত্তরের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই মন্তব্য করেছেন রংপুরের জনপ্রতিনিধি, নদী আন্দোলন কর্মী ও তিস্তাপাড়ের বাসিন্দরা। 

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে আরডিআরএস মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের সঙ্গে নীতি নির্ধারকদের সংলাপে বক্তারা বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে তা পরিবেশ-প্রকৃতি সংরক্ষণসহ দেশের জিডিপিতে বড় অবদান রাখবে। উত্তরাঞ্চলকে এগিয়ে নিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সকলে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

এ সময় নদীর সুরক্ষায় ড্রেজিং, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ফসল প্রক্রিয়াজাতকরণের শিল্প স্থাপনসহ রংপুরকে কৃষির রাজধানী হিসেবে ঘোষণার দাবী জানানো হয়।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন, রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি কর্পোরেশন) আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী। রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রোকসানা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সংস্থার উপ-পরিচালক (কর্মসূচী) পলাশ কুন্ডু, প্রকল্প ম্যানেজার মাহফুজা খাতুন, গঙ্গাচড়া লহ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী, কাউনিয়ার কুর্শা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ, বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী, চরাঞ্চলের বাসিন্দা চায়না বেগম, আছমা বেগম, কাফিরন বেগমসহ অন্যরা।

রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সম্প্রতি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প পাস হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাস না হওয়ায় আমরা মর্মাহত। আমি নদীপাড়ের মানুষ। নদীর সাথে মানুষের সংগ্রাম দেখতে দেখতে বড় হয়েছি।

বিগত সময় জনপ্রতিনিধিরা ভোট নিয়ে তিস্তাপাড়ের খোঁজ রাখেনি। আমি চরাঞ্চলসহ নদী ভাঙ্গনের শিকার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। তবে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আশান্বিত। উত্তরের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় এটি সকলে মিলে বাস্তবায়ন করে ছাড়বো ইনশা আল্লাহ।

নেটজ বাংলাদেশ ও বিএমজেডের সহযোগিতায় সংলাপে গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments