রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দখল করা কলমিলতা বাজারের ক্ষতিপূরণ আদায় ও মিরপুর ভাষানটেক বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি বাতিল আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে টানা ৩২ দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বস্তিবাসীরা। এর আগে গত রবিবার ভূমি উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে আলহাজ মো. আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে পুনরায় সাক্ষাত করেন। বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সমাধান না হওয়ায় আন্দোলনকারীরা কাফনের কাপড় পরে প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয শহীদ মিনারে অবস্থান নেয়। পরে তারা আবারও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করছে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে এডভোকেট নূরতাজ আরা ঐশী, দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদের সহোদর ডাঃ এ এম নুরুজ্জামান, ড. প্রকৌশলী লুৎফর রহমান ও এডভোকেট জিয়াউর রহমানসহ শতাধিক ভূক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী আব্দুর রহিম বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের কাছে বারবার দাবি দুটির সমাধান চেয়েও সমাধান পাইনি। এখন এক বছর অতিবাহিত হলেও অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার এখন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নিচ্ছে না। ভূমি মন্ত্রণালয়ে বিএনপি’র এক নেতার নির্দেশে প্রকল্পের বিষয়ে গঠিত ৭ সদস্যের কমিটির রিপোর্ট ৯ মাসেও প্রকাশ করছেন না। অন্যদিকে ভাষানটেক থানা এলাকার স্থানীয় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে ভাষানটেক প্রকল্পের ফ্ল্যাট দখল মালামাল লুটপাট করিয়ে তার থেকে নিয়মিত মাশোয়ারা পাচ্ছেন ভূমি উপদেষ্টা, সচিব ও আমলাগণ। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। উল্টো পুলিশ দিয়ে আমাদের আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করছে সরকার। আমাদের আন্দোলনে বাধা দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না।



