বেপরোয়া বোরাক বাসের ধাক্কায় বন্দরে পুলিশের ৩ কনস্টেবল আহত হয়েছে। ওই সময় টহলরত পুলিশের গাড়ীটি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন। এ ঘটনায় পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত স্থান থেকে ঘাতক বাস ও এর চালককে আটক করেছে। আটককৃত চালক আব্বাস আলীকে (৩২) বন্দর উপজেলার মুছাপুর এলাকার বাসিন্দা। আহত পুলিশ কনস্টেবলরা হলো জহির (২৯), রাজিব (২৭) ও সামসুদ্দোহা (২৪)। আহতদের মধ্যে কনস্টেবল জহির ও রাজিবকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বন্দর থানার মদনগঞ্জস্থ ৩য় শীতলক্ষ্যা ব্রীজের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বন্দরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে অবস্থান করে। পরে এক পর্যায়ে তিনি গাড়ির থেকে নেমে সেতুটি আকস্মিক পরিদর্শন করার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা মোক্তারপুরগামী বোরাক বাস (ঢাকা মেট্রু-ঠ ১৪-৩৯০৩) সেতুতে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের পিকআপ ভ্যানটিকে পেছন দিক থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায় পুলিশের পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভেতরে থাকা তিন পুলিশ সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা এবং অন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) লিয়াকত আলী বলেন, “বেপরোয়া বাস চালানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। ঘাতক চালককে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



