“মাছে ভাতে বঙ্গালী” প্রবাদ বাক্যটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত।মাছ ভাত বাঙ্গালীর প্রধান খাবার।মিস্টি পানির মাছে খ্যাত বাগেরহাটের চিতলমারীতে খাল,বিলে মিঠা পানির মাছ বিলুপ্ত প্রায়।বর্ষাকাল মানেই পানিতে চারিদিকে থৈ থৈ।অন্যান্য বছরে বর্ষাকালে মিঠাপানির মাছের দেখা মিললে ও এ বছর খালে, বিলে তেমন দেখা মিলছে না দেশী প্রজাতির মাছ।কারেন্ট জালের পাশাপাশি চায়না দুয়ারি নামের এক প্রকার জাল দিয়ে মাছ ধরে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করছে অসাধু মৎস্য জীবিরা।
কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি দিয়ে মাছ ধরার কারনে এ খানের খাল বিলে দিনে দিনে মাছ শুণ্য হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ মৎস্য জীবিদের। তাদের মতে চাই বা অন্যান্য মাছ ধরা সরঞ্জামের চেযে ও চায়না দুযারি ও কারেন্ট জাল ভযংকর।
সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় এ উপজেলার সাত ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকাই খাল বিল বেশী। বর্ষার নতুন পানিতে কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি দিয়ে মাছ ধরা ছলছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি দিয়ে মাছ ধরার এক জেলে জানান এ সব জালে ছোট পোনা, ডিমওলা মাছ, ধরার কারনে দেশি ও মিঠা পানির মাছ বিলুপ্তির পাশাপাশি ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ রক্ষা কারি ব্যাংগ,কুচিয়া, সাপ সহ অসংখ্য জলজ প্রাণী। বন্যার প্রভাব দেখা দিলে এ জালের চাহিদা বেড়ে যায়।
অন্যদিকে এক মাছ ব্যাবসায়ী জানান বছর দশেক আগে এখানে হাটে বাজারে প্রচুর দেশীয় মিঠা পানির মাছ বিক্রি হত। এখন হাটে বাজারে এ সব মাছ দেখা যায় না। এখন বাজার দখল করে নিয়েছে সামুদ্রিক মাছ। উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে জানা যায় এ সব অবৈধ জাল ধরার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি। অভিযানে ধরে আনা জাল জন সম্মুখে পুড়িয়ে ফেলছি।আবার তারা বাজার থেকে কিনছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যদি তেরী করার কারখানা, দোকান বন্ধ করে দেয় তাহলে বছর ঘুরতে না ঘুরতে দেশে খাল বিলে মাছের বৃদ্ধি পাবে।
চিতলমারীতে চায়না দুয়ারির ফাঁদে ধ্বংস দেশী প্রজাতির মাছ
Recent Comments
on Hello world!


