ডাকাত,চোর,ছিনতাইকারি ও চাঁদাবাজ ধরা পড়লে জায়গায় মেরে ফেলবেন,কোন বিচার নেই-কুষ্টিয়া সদর আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার এমন বক্তব্য সংবলিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ওই ভিডিওতে এমপি আমির হামজাকে বলতে দেখা যাচ্ছে যে, খুব সতর্ক থাকা লাগবে ভাই,যদি কোন স্থানে ডাকাত, চোর, ছিনতাইকারি ও চাঁদাবাজ ধরতে পারেন জায়াগায় মেরে ফেলবেন, কোন বিচার নেই।
আইন হাতে তুলে নেওয়ার মত এমপি আমির হামজার এই বেআইনী নিদের্শের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। তবে বেআইনী বক্তব্য এমপি আমির হামজা দেননি বলে তার দাবী।
জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে সদ্য নির্বাচিত এমপি মুফতি আমির হামজা দল-মত নির্বিশেষে কুষ্টিয়ার আপামর জনতার জন-প্রতিনিধি ও আইন প্রনেতা। কিন্তু মাদকসহ অপরাধ নির্মূলে জনতার উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর ভিডিওটির ওই বক্তব্যে জনমনে উঠেছে নানা প্রশ্ন। এছাড়া এমন বক্তব্যে বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্যসহ উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে নেটিজেনরা বলেন, একজন আইন প্রনেতা যদি এমন আইন বহির্ভুত বক্তব্য দেন, তাহলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে কিভাবে ? ভিডিওর ওই বক্তব্যটি মবকে উসকে দেওয়ার নামান্তর বলে চলছে সমালোচনা।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য-সচিব ও সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর আসনে বিএনপি মনোনীত পরাজিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন,একজন এমপি এ ধরনের বেআইনী বক্তব্য কোনভাবেই দিতে পারেন না। অপারাধী যত শক্তিশালী হোক না কেন,তার বিচার হতে হবে আইনের আওতায়। আমির হামজার এই বক্তব্যটি আইন হাতে তুলে নেওয়াসহ মব সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতার শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এবিষয়ে এমপি আমির হামজার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আইন হাতে তুলে নেওয়ার মত কোন বক্তব্য আমি দেই নি। কে বা কারা আমার বক্তব্যের আগে/পেছনের কথা কর্তন করে তা প্রকাশ করতে পারে। টেলিআলাপনকালে এমপি হামজা ভিডিওটি পাঠাতে বললে তার হোয়াটস অ্যাপে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়।



