আগামী শনিবার থেকেই ব্যারাকে ফিরতে শুরু করবে মাঠে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর সদস্যরা। দূরবর্তী জেলা থেকে প্রথমে প্রত্যাহার হবে। পরে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর এবং বড় জেলা থেকে সেনাসদস্যদের তলে আনা হবে। জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে মাঠপর্যায় থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত ২১ মে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, এতদিন সেনাবাহিনী দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত ছিল। এখন থেকে আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে ক্যান্টনমেন্টে ফিরে গিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা। আমাদের কাজ হচ্ছে সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা, ম্যুরালিটি ঠিক রাখা, ডিসিপ্লিন ঠিক রাখা, সেগুলো আমরা শুরু করছি। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সেনা সদস্যদের এমন ভূমিকা জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে মাঠে নেমেছিল প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরোটা সময় জুড়েই মাঠে ছিল তারা।
নির্বাচিত সরকার আসার পর দুই বছর বাদে এখন তারা ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ৬ জুন অর্থাৎ শনিবার থেকে সেনা সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ৫ মে কোর কমিটি প্রথম সভা বসে। আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় কর্মপদ্ধতি নির্ধারণের জন্য ২১ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে এ কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিজিবি মহাপরিচালকসহবিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়।



