আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যাংক একীভ‚তের পাশাপাশি পুনর্গঠন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে সরকার। এ জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন করে ৩৬ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
শেয়ার ও ইকুইটি বাবদ এই বরাদ্দ রাখা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই খাতে খরচ সংশোধন করে করা হয়েছে ৪১ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও বিনিয়োগপ্রবাহ সচল রাখতে সরকারের মধ্যমেয়াদি কৌশলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনা এবং এ খাতের প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
এ লক্ষ্যে খেলাপি ঋণ হ্রাস, ঋণ অনুমোদন ও পুনঃ তফসিল ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংক পরিচালনায় জবাবদিহি জোরদার করা হচ্ছে। দুর্বল ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য ঝুঁকিভিত্তিক তদারকিব্যবস্থা চালু করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনঃ মূলধনীকরণ ও ব্যবস্থাপনা সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারকে ব্যাংক পুনঃ মূলধনীকরণের লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং ব্যাংক পরিচালনা নীতিমালাকে পারিবারিক প্রভাবমুক্ত করার করতে আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ক্ষমতা শক্তিশালী করে আর্থিক খাতে নীতি বাস্তবায়নের কার্যকারিতা বাড়ানো হবে।
ব্যাংকিং খাতে আন্তর্জাতিক মানদÐভিত্তিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, মূলধন পর্যাপ্ততা এবং করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। যাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দীর্ঘ মেয়াদে স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ডিজিটাল ফাইন্যান্স, ফিনটেক এবং উদ্ভাবনী আর্থিক সেবার প্রসার ঘটানো হবে।



