বর্তমানে কারো ব্যাংক হিসাবে যদি ৩ লাখ টাকা থাকে, তাহলে বছরে একবার আবগারি শুল্ক দিতে হয়। এবার এই সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা হয়েছে। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি দিতে এই সুবিধা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত বাজেটে বক্তৃতায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যাংক হিসাবে আমানতের স্থিতি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে বছরে একবারই আবগারি শুল্ক দিতে হবে। এ ছাড়া একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে শুধু একবারই আবগারি শুল্ক কাটা হবে। কারো ব্যাংক হিসাবে যদি ২০২৬ সালে কোনো একবার চার লাখ বা এর বেশি টাকা থাকে, তাহলে আবগারি শুল্ক কাটা হবে।
এই আবগারি শুল্ক বছরে একবার বসে হিসাবের স্থিতির ওপর। সাধারণত ব্যাংকগুলো ডিসেম্বর মাসে গ্রাহকের হিসাব থেকে এই টাকা কেটে রাখে।উল্লেখ্য, আবগারি শুল্ক হলো একধরনের পরোক্ষ কর, যা সরকার নির্দিষ্ট কিছু পণ্য, সেবা বা আর্থিক কার্যক্রমের ওপর ধার্য করে।
যেমন ব্যাংকে টাকা রাখা, মোবাইলফোনে কথা বলা, সিগারেট কেনা ইত্যাদি। এ ধরনের শুল্ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয় ও মুনাফার ওপর বসে না। কোনো কার্যকলাপ বা সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বসে।



