নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুর ইউনিয়নের দেবিশিংপুর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র মো: আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) নিহতের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ থেকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার(১৫ জুন) রাতে প্রযুক্তির সহায়তায় সেনবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- এ হত্যা মামলার ৪নাম্বার এজাহারভুক্ত আসামী মো: মমিন উল্লাহ (৫০) এবং ৫ নাম্বার আসামী মো. জাহাঙ্গীর (২৪)। আসামিদের গ্রেফতারের পর পরই থানা পুলিশ তাদেরক সেনবাগ থানা নিয়ে আসে। রাত ১২টা নাগাদ তারা সেনবাগ থানায় পৌঁছান।
এর আগে হত্যাকাণ্ডের পর পরই মামলার প্রধান আসামি হারুনুর রশিদকে সেনবাগ থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। হারুন ইতিমধ্যে নোয়াখালীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
এ ব্যাপারে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ইত্তেফাককে বলেন, আজরাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত মোট তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করা হলো। এর মধ্যে একজন ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
উল্লেখ্য- গত ১০ জুন রাতে সেনবাগের নবীপুর ইউনিয়নের দেবিশিংপুর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র মো: আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) নিহত হয়।



