‘এই সফরে চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ কোনো ঋণের আশ্বাস পেয়েছে কিনা। যদি পেয়ে থাকে, তাহলে তার পরিমাণ কত এবং বাংলাদেশে নতুন কোনো বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এসেছে কিনা, সেবিষয়েও সরকারকে স্পষ্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ গতকাল সোমবার সংসদে অর্থবিলের সংশোধনীর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে একথা বলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
রুমিন ফারহানা বলেন, এবিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরাসরি উত্তর না দিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা কি কেবলমাত্র চাইতে গিয়েছি ভিক্ষার ঝুলি হাতে?’ না, এমনটি কেউ আশা করেন না। তবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
রুমিন ফারহানা বলেন, প্রতিবছর বাজেট দেওয়ার সময় আমরা নির্ঝরের মতো দেখি এবং সারাবছর ধরে সেই স্বপ্নভঙ্গের ফল আমাদের ভোগ করতে হয়। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, আর আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
তবে শুধু ঘোষিত ঘাটতিই নয়, প্রতি বছরই রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, বাস্তবে তা অর্জন করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রকৃত ঘাটতি আরো বেড়ে যায় এবং দেশকে দেশি-বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করতে হয়।



