বিএনপির কাছে ৩০টি আসন চেয়েছিলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, কিন্তু তাতে রাজি না হওয়ায় দলটি পিআর নিয়ে বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল অবলম্বন করেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভারতের কোলকাতার বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘এই সময়’ এর সাংবাদিক অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল রাতে জানিয়েছেন, ‘এই সময়’ কে আমি কোনো সাক্ষাৎকার দেইনি,কেবল কথা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ৩০টা আসন চাওয়ার বিষয়ে কোনো কথাই আমি বলিনি। ‘এই সময়’-এ ভুলভাবে আমার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। অপরদিকে ৩০টি আসন চেয়ে সাড়া না পেয়ে চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে জামায়াত পিআরের দাবি তুলছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ বক্তব্যকে অসত্য, অমর্যাদাকর ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বলে আখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এই সময় পত্রিকাটি দাবী করেছে তাদের কাছে সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে সাক্ষাৎকারটি দেন মির্জা ফখরুল। এটি প্রকাশিত হয় ২২ সেপ্টেম্বর। এতে মির্জা ফখরুল বলেন,জামায়াত যত বড় না শক্তি, আমরা অকারণে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। বিএনপি তাদের আর মাথায় উঠতে দেবে না। সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুলের কাছে প্রশ্ন করা হয়, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন কি আদৌ হবে? জামায়াতে ইসলামি এবং এনসিপি যেভাবে একটার পরে একটা নতুন দাবি তুলছে, এবং সেগুলো পূরণ না হলে নির্বাচন হতে দেবে না বলছে, অনেকেই সংশয়ে। হলেও দেশজুড়ে প্রবল অশান্তি ও রক্তপাত হবে? জবাবে তিনি বলেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে। সংশয়ের কোনও জায়গা নেই। কোনও অশান্তি হবে না। মানুষ ভোটাধিকার ফেরত চাইছেন, নির্বাচন চাইছেন। উৎসবের মতো ভোট হবে ফেব্রুয়ারিতে। তবে জামায়াত যে বলছে পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি ছাড়া ভোট হবে না, এনসিপি প্রচলিত সংবিধান বাতিল করে আগে গণপরিষদের নির্বাচন চাইছে। না হলে ভোট হতে দেবে না বলছে…। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, জামায়াত ভোটে আসবে। পিআর–টিআর নয়, মানুষ যে পদ্ধতিতে ভোট বোঝেন, সেই প্রচলিত পদ্ধতিতেই হবে বাংলাদেশের ভোট। জামায়াতও দেখবেন অংশ নেবে। আর এনসিপি-কে আমরা কোনও শক্তি বলেই আর মনে করি না। এটা ঠিক এই ছাত্ররাই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভের বারুদে আগুনটা দিয়েছিল। এখন আর তাদের কিছু নেই। ডাকলে লোকও আসে না। এরপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, শোনা যায়, এনসিপি নাকি আপনাদের কাছে আসন চেয়েছিল? ফখরুল বলেন, না। এনসিপি কখনও চায়নি। তবে জামায়াত চেয়েছে। এনসিপি’র এখন একমাত্র লক্ষ্য, বিএনপিকে সরকার গঠন করতে না দেয়া।
জামায়াত কি ৫০টা আসন চেয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৩০টা চেয়েছে। আমরা উৎসাহ দেখাইনি। অনেক কম একটা সংখ্যার কথা বলেছি, যা তাদের মনোঃপূত হয়নি। আপনাকে আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর আমরা মাথায় উঠতে দেবো না। তারা যত বড় না শক্তি, আমরা অকারণে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। পিআর-টিআর সবই বিএনপির উপরে চাপ সৃষ্টির কৌশল। জামায়াত কিন্তু নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছে। আসলে দেশের প্রবল ভাবেই মানুষ নির্বাচন চাইছেন। সেনাবাহিনী চাইছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও চাইছেন। কিছু দিন আগেও তো ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এনসিপি’র প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিল বিএনপি। তিনি নির্বাচন করাতে চান না, এমন কথাও বলা হয়েছে। নির্বাচনের বিষয়ে এখন ড. ইউনূসের উপরে আস্থা রাখছেন কিনা- জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, পরিস্থিতি বদলেছে। দলের পক্ষে আমি তার সঙ্গে কথা বলি। দেখছি, এখন তিনি সর্বোচ্চ সিরিয়াস। আন্তরিক ভাবেই চান ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হোক। আগস্টের ৫ তারিখে ইউনূস নির্বাচনের দিন ঘোষণা করলেন। তার আগের দিন রাতে ইউনূস সাহেবের বাসভবনে তার ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়।
সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ কম বলে এক বছর ধরে সেনাদের রাস্তায় ডিউটি করতে হচ্ছে, যা একেবারেই কাম্য নয়। তিনি ডিসেম্বরে ভোটের কথা বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারিতে আপত্তি নেই। সব রকম সহযোগিতা করবেন। তিনি চান, নির্বাচন করিয়ে বাহিনী এবার ব্যারাকে ফিরুক। ড. ইউনূসও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে অব্যাহতি চান। তিনি বলেছেন, আর চাপ নিতে পারছেন না। আমরাও আশ্বাস দিয়েছি, সরকার গঠনের পরেও সংস্কার চলবে। স্বৈরাচারীদের বিচার প্রক্রিয়াও চলবে। তিনটি আলাদা বিষয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনও ম্যান্ডেট নেই, তাদের সংস্কারের গুরুত্বই বা কী! নতুন কথা তারা বলেনি। বিএনপির ৩১ দফায় সবই আছে। আরেক প্রশ্নে মির্জা ফখরুলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সম্প্রতি যেদিন জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর হলো, তার পরের দিন বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি নেতৃত্বকে বাসভবনে ডেকে পাঠিয়েছিলেন ইউনূস। কেন? তিনি কি কোনও বিশেষ বার্তা দিলেন আপনাদের?
জবাবে খানিক চুপ করে থাকার পর মির্জা ফখরুল বলেন,ঠিকই বলেছেন। সেদিন ড. ইউনূস আমাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সে বার্তা সংক্ষিপ্ত, এক লাইনের। এক ধরনের ফাইনাল বেল বলতে পারেন। ইউনূস সেদিন আমাদের জানিয়ে দেন, ফেব্রুয়ারিতে ভোটের বাস ধরতে না পারলে তিনি মার্চ থেকে আর থাকবেন না। এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, যাতে ভোটটাই করা গেল না।
আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) বা ওয়ার্কার্স পার্টির মতো তাদের শরিকেরা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা- এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, আমরা বলেছি আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিকেরা সবাই, এমনকি জাতীয় পার্টিও নির্বাচনে অংশ নিক। একটা সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হোক। এ জন্য অনেকে আমাকে ভারতের এজেন্ট, আওয়ামী দালাল বলে গালাগাল দিচ্ছে। কিন্তু শেখ হাসিনার অপকর্ম আমরাও কেন করব? হাসিনা ১৫ বছর প্রতিপক্ষকে ভোটে দাঁড়াতেই দেননি, তার শাস্তি পেয়েছেন। একই কাজ করলে আমরাও তো প্রতিফল পাব। তবে মানুষ এত রক্ত দেখেছেন, এত প্রাণহানি— তাদের মধ্যে আওয়ামী-বিরোধিতা রয়েছে।এরপর মির্জা ফখরুলকে প্রশ্ন করা হয়, ড. ইউনূস বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রভাব ছাড়া নির্বাচন ও সরকার গঠন হবে। সত্যিই কি বাংলাদেশে ভারতের কোনও প্রভাব আর অবশিষ্ট নেই?
জবাবে তিনি বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী। সেই সময়ে এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ভৌগোলিকভাবেও বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, এক দিকে সাগর। সুতরাং ভারতের প্রভাব বাংলাদেশে থাকবেই। সমস্যা হলো, বাংলাদেশ বলতে শুধু আওয়ামী লীগকে বুঝেছে ভারতের শাসকেরা। জামায়াত আর বিএনপির রাজনীতি তো এক নয়। আমরা অসাম্প্রদায়িক, মধ্যপন্থী একটি গণতান্ত্রিক দল। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত সংবিধান রক্ষায় আজও আমরা স্বাধীনতা-বিরোধীদের সঙ্গে লড়াই করছি। বামেরা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। এই পর্যায়ে অনমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, পঁচিশ বছর ধরে জামায়াত আপনাদের শরিক। দুটো নাম তাই এক সঙ্গে উচ্চারিত হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, আসলে আওয়ামী চশমা দিয়ে ভারত বাংলাদেশকে দেখেই ভুলটা করেছে। বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেনি। আজ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় তীব্র ভারত-বিরোধিতায় পর্যবসিত হয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষে আমি আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর সুবিধা নিতে দেবো না। আমরা চাই, ভারত সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখুক। আমরা কলকাতা যাব, কলেজ স্ট্রিট থেকে কত বই কিনেছি। আবার সেই সুযোগ পাব। সিনেমা, থিয়েটার দেখব। মানুষে মানুষে অবাধ যোগাযোগ হবে। ভিসা প্রক্রিয়া সাবলীল হবে। ভারতীয়রাও বাংলাদেশে স্বাগত। ভুল বোঝাবুঝির অবসান হোক।
‘এই সময়’কে এ ধরনের কথা বলিনি: মির্জা ফখরুল
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ‘এই সময়’-কে কোনো সাক্ষাৎকার দেননি বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এই সময়’-এ ভুলভাবে আমার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে।আমি কোন সাক্ষাৎকার দেয়নি,তাবে কথা বলেছি।
গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিইউয়র্ক থেকে মির্জা ফখরুল ইত্তেফাককে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ৩০টা আসন চাওয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলিনি। এধরনের কথা বলার প্রশ্নই আসে না। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে কোনো কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের ব্যাপারে তো আমরা আগেই বলেছি।
মির্জা ফখরুলের সাক্ষাৎকার ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে: বিএনপি
এদিকে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন,ভারতের দৈনিক পত্রিকা ‘এই সময় অনলাইন’ প্রকাশিত দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষাৎকার ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপি মহাসচিবকে নিয়ে ‘এই সময় অনলাইন’ সাক্ষাৎকারটি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ভারতের দৈনিক পত্রিকা ‘এই সময়’-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি। সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, এটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর।এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি (মির্জা ফখরুল) এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানান এবং জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, এই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য।
৩০ আসন চাওয়া নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য: জামায়াত
৩০টি আসন চেয়ে সাড়া না পেয়ে চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে জামায়াত পিআরের দাবি তুলছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ বক্তব্যকে অসত্য, অমর্যাদাকর ও প্রতিহিংসাপরায়ণ বলে আখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
কলকাতার ’এই সময়’- পত্রিকাকে দেয়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান। সম্প্রতি ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘এই সময়’এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল জামায়াতের বিষয়ে ‘অসত্য, অমর্যাদাকর ও প্রতিহিংসাপরায়ণ’ মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে এমন বক্তব্য বিশ্বাস করা কঠিন। এই বক্তব্যের সঙ্গে সত্য ও শিষ্টাচারের কোনো মিল নেই। যদি এ বক্তব্য তার হয়ে থাকে, তবে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জামায়াত নেতা বলেন, বিএনপি মহাসচিব যদি সত্যিই এমন অভিযোগ করে থাকেন, তাহলে তাকে প্রমাণ দিতে হবে যে জামায়াত কার কাছে আসন দাবি করেছে। ‘প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে,’ বলেন তিনি। অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জামায়াত নিজস্ব নেতৃত্বের অধীনে পরিচালিত হয় এবং কারো কাছে আসন চাওয়ার রাজনীতির সঙ্গে দলটির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি ফখরুলের ব্যবহৃত ভাষাকে তাচ্ছিল্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে এর বিচার জনগণের ওপর ছেড়ে দেন। বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের রাজনীতি দেশ ও জনগণের কল্যাণে। আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। আমরা জনগণের ওপর আস্থা রাখি এবং মহান রবের করুণাতেই ভরসা করি। ভবিষ্যতে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য বিএনপি মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের এ নেতা।



