প্রায় ৬ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দ্বাদশ সমাবর্তন আজ (১৭ ডিসেম্বর)। এই সমাবর্তনকে ঘিরে সাবেক শিক্ষার্থীদের বেশ কিছু বিষয়ে আপত্তি সত্তে¡ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেননি। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে সমাবর্তনের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সমাবর্তনে ৫ হাজার ৯৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।
এই সমাবর্তনে চেয়ারপার্সন হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার গ্রাজুয়েটদের ডিগ্রি প্রধান করবেন। এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং সমাবর্তন বক্তা থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।
এর আগে সমাবর্তনের অতিথি পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশনের সময় বৃদ্ধিসহ বেশকিছু দাবি জানান সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশ। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেগুলো না মানলে তারা সমাবর্তন বয়কটের ঘোষণা দেন।
সমাবর্তনের সার্বিক বিষয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘দ্বাদশ সমাবর্তনের সকল আয়োজন ও প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটা টিম কাজ করবেন। বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে পুলিশ, প্রক্টরিয়াল টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও কাজ করবেন।
এদিকে সমাবর্তন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বর, ভবন ও সড়কে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রæয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু ১৩ জানুয়ারি সমাবর্তন স্থগিত করা হয়। এর আগে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে কয়েকবার তারিখ ঘোষণা করেও অনিবার্য কারণ দেখিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর রাবির একাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।



