রংপুরের মিঠাপুকুরের হত্যা মামলার দুই আসামিকে র্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে
রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফেতারকৃতরা হলেন, মোঃ
জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), পিতা-মোঃ মহুবার রহমান ও মোঃ মোছন মিয়া (৫০)।

র্যাব -১৩‘র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া)
বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান,মিঠাপুকুর থানার হত্যা মামলার বাদী মোঃ আবুল
কাশেমব(৭৩) এবং আসামিগণ একই এলাকার পাড়া প্রতিবেশী।
দীর্ঘদিন ধরে বাদী ও বাদীর পরিবারের সঙ্গে ধৃত আসামিদের এবং সহযোগী আসামিগণের মধ্যে পূর্ব
থেকেই বিরোধ চলমান ছিলো। এর জের ধরে ধৃত আসামি এবং সহযোগী আসামিগণ পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে ইং ৭ ফেব্রæয়ারী/২ দুপুর ১২টায় বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে
হাতে লাঠি, লোহার রড ও ছোরা নিয়ে সজ্জিত হয়ে বাদীর স্ত্রীর পথ রোধ করে
শ্লীলতাহানী করে ও চুল ধরে গালে ও মুখে চড়-থাপ্পর দেয় ও মারধোর করে এবং
হত্যার উদ্দেশ্যে রক্তাক্ত জখম করে।
পরবর্তীতে বাদীর স্ত্রীকে রক্ষার জন্য বাদীর পুত্র এগিয়ে আসলে ধৃত আসামিদ্বয় এবং তার সহযোগী আসামিগণ বাদীর পুত্রকেও এলোপাথাড়ী আঘাত করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে অন্ডকোষে সজোরে লাথি
মেরে গুরুতর জখম করে।
বাদীর স্ত্রী এবং পুত্রের ডাক চিৎকারে বাদী এবং
নিকটতম আত্বীয়স্বজন তাদের উদ্ধার করে রংপুর মিঠাপুকুর সরকারী হাসপাতালে
ভর্তি করলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক বাদীর পুত্র ভিকটিম নুরুজ্জামান (৩১) কে ৭
ফেব্রæয়ারী বিকাল সাড়ে ৫টায় মৃত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে ভিকটিম নুরুজ্জামান (৩১) এর পিতা বাদী হয়ে থারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের
করেন।ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক হত্যাকান্ড হওয়ায় এলাকায়
ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিএসসি, রংপুর এবং র্যাব-৪, সিপিসি-১, মিরপুর এর
একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুর ঈদগাহ
মাঠ ক্রসিং, ট্রাফিক পুলিশ বক্স, মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ, ঢাকা মেট্টোপলিটন
পুলিশ, ঢাকা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার ১ নং ও ৫ নং
এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), পিতা-মোঃ মহুবার
রহমান,সাং-শালমারা লতিফপুর, থানা-মিঠাপুকুর, জেলা-রংপুর এবং মোঃ মোছন
মিয়া (৫০), পিতা-মোঃ আবুল কালাম, সাং-ইকবালপুর, থানা-মিঠাপুকুর, জেলা-কে
গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায়
হস্তান্তর করা হয়েছে।


