দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ও এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) বহনকারী আরও চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বন্দর সূত্র জানায়, জাহাজগুলোতে আমদানিকৃত জ্বালানি দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের নির্ধারিত জেটি ও বহির্নোঙরে অবস্থান নিয়ে জাহাজগুলো থেকে ধাপে ধাপে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বলছে, দেশে জ্বালানির চাহিদা বাড়তে থাকায় আমদানি কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং পরিবহন খাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার নিয়মিতভাবে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুম সামনে রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়তি চাপ মোকাবেলায় এলএনজি আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি খালাস কার্যক্রমে যাতে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়, সেজন্য মেরিন ও অপারেশন বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়গুলোও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামার মধ্যেও সময়মতো আমদানি কার্যক্রম চালু রাখা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।


