পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সারাদেশে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকলেও যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক হামলা মোকাবিলায় র‍্যাবের স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড ইতোমধ্যে সুইপিং কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া সারাদেশে কন্ট্রোল রুম, ফুট পেট্রোল, সিসিটিভি মনিটরিং এবং পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স রাখা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ উৎসব উদযাপনে র‍্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে দেশব্যাপী র‍্যাব কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি এসব কথা জানান।
র‍্যাবের ডিজি বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিশ্চিত করতে সারাদেশে র‍্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন থাকবে। অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাব সদস্যরা নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ উপলক্ষে ১৮১টি পিকআপ পেট্রোল টিম, ১২৭টি মোটরসাইকেল পেট্রোল টিমসহ ৩০৮টি টহল টিম মাঠে থাকবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থল- শাহবাগ, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া এভিনিউ, বাংলা একাডেমি ও রমনা বটমূলসহ বিভিন্ন স্থানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এসব এলাকায় চেকপোস্ট, অবজারভেশন পোস্ট স্থাপন এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও সাইবার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট নাশকতার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গুজব, উস্কানিমূলক বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে যেন কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নববর্ষের অনুষ্ঠানস্থলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮ মামলার আসামি বাইরে, দায় র‍্যাবের নয় : গত রবিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং নেতা এলেক্স ইমন হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গ টেনে ১৮ মামলার আসামির (নিহত ইমন) বাইরে থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে র‍্যাব ডিজি দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাংয়ের ঘটনা দায় আমি নিব না। কারণ আমার কাজ হচ্ছে যখন অপরাধপ্রবণ আমি অপরাধী পেয়ে যাব তখন তাদের গ্রেপ্তার করবো। যার বিরুদ্ধে ১৮টা মামলা সে কীভাবে বাইরে থাকল, সেই প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের করেন। তাহলে প্রশ্নের সঠিক জবাব পাওয়া যাবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments