শনিবারই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠঅন প্রধান ও সহকারি প্রধান পদের নিয়োগ পরীক্ষা। বুধবার এই নিয়োগ পরীক্ষার উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিলো হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল
বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই স্থগিতাদেশ দেন। এর ফলে শনিবার এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে আর কোন আইনগত বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
গত ২৯ জানুয়ারি ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রধান পদে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন আহ্বান করা হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।
কিন্তু আবেদনপত্র দাখিল করার ১৯ দিন পরে স্কুল ও কলেজ এবং ২৫ দিন পরে ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রধানের সকল পদে শিক্ষকদের ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।
পৃথক দুই বিজ্ঞপ্তিতে অভিজ্ঞতা পরিবর্তনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ১১৪ আবেদনকারী। শুনানি শেষে বুধবার বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ নিয়োগ পরীক্ষার উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল। হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালত।


