রংপুরে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম শিশুর মৃত্যু

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া তানজিদ নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রমেক হাসপাতালে গত এক মাসে এই প্রথম হাম উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে । 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ওই শিশুর মৃত্যু হয়।  তানজিদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের তালমাটি এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আয়েশা সুলতানা শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শিশুটি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ১২ থেকে ১৪ দিন ভর্তি ছিল। তারপর র‍্যাশ হওয়ার পরে ১৫ এপ্রিল আমাদের এখানে পাঠিয়েছিল। প্রথম থেকে শিশুটির পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল।

শিশুটির মা তিথি মনি বলেন, ঈদের দুই দিন পর লালমনিরহাট হাসপাতালে নিউমোনিয়া আশঙ্কা করে চিকিৎসা দিছিল। তারপর বাচ্চা একটু সুস্থ হয়, বাসায় নিয়ে আসি। আবার অসুস্থ হয়। এ রকম করে দুই-তিনবার ভর্তি করেছি। পরে পয়লা বৈশাখের দিন নিয়ে গেছি। ওখানে শিশু ডাক্তার আসেনি। পরে আমার বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়েছে, ওখানে অক্সিজেন দিয়ে পরদিন রংপুরে নিয়ে আসি। রংপুরের বেসরকারি কমিউনিটি মেডিকেলে ভর্তি করলে তারা হাম আক্রান্তের কথা বলে রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবের সময়ে গত ২৩ মার্চ রংপুর মেডিকেল কলেজে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম রোগী ভর্তি করা হয়। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ৮০ জন‌ শিশু ভর্তি হয়েছিল। এরমধ্যে ৫৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

শনিবার  সকাল ৯টা পর্যন্ত রমেকে মোট ২২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাম কর্নারে ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৬ শিশু।  হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পাশে ১০ শয্যার একটি হাম কর্ণার করে এসব শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পরবর্তী সময় আরও একটি হাম কর্ণার করা হয়েছে।। রমেক হাসপাতালে গত এক মাসে এই প্রথম হাম উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে । 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ওই শিশুর মৃত্যু হয়।  তানজিদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের তালমাটি এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের  শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আয়েশা সুলতানা শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শিশুটি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ১২ থেকে ১৪ দিন ভর্তি ছিল। তারপর র‍্যাশ হওয়ার পরে ১৫ এপ্রিল আমাদের এখানে পাঠিয়েছিল। প্রথম থেকে শিশুটির পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল।

শিশুটির মা তিথি মনি বলেন, ঈদের দুই দিন পর লালমনিরহাট হাসপাতালে নিউমোনিয়া আশঙ্কা করে চিকিৎসা দিছিল। তারপর বাচ্চা একটু সুস্থ হয়, বাসায় নিয়ে আসি। আবার অসুস্থ হয়। এ রকম করে দুই-তিনবার ভর্তি করেছি। পরে পয়লা বৈশাখের দিন নিয়ে গেছি। ওখানে শিশু ডাক্তার আসেনি।

পরে আমার বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়েছে, ওখানে অক্সিজেন দিয়ে পরদিন রংপুরে নিয়ে আসি। রংপুরের বেসরকারি কমিউনিটি মেডিকেলে ভর্তি করলে তারা হাম আক্রান্তের কথা বলে রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবের সময়ে গত ২৩ মার্চ রংপুর মেডিকেল কলেজে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম রোগী ভর্তি করা হয়। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ৮০ জন‌ শিশু ভর্তি হয়েছিল। এরমধ্যে ৫৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

শনিবার  সকাল ৯টা পর্যন্ত রমেকে মোট ২২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাম কর্নারে ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৬ শিশু।  হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পাশে ১০ শয্যার একটি হাম কর্ণার করে এসব শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পরবর্তী সময় আরও একটি হাম কর্ণার করা হয়েছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments