রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন অনিয়ম ও সাধারণ সভার দাবিতে প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। রোববার (৩ মে) বেলা ১২ টায় রংপুর কেন্দ্রীয় টার্মিনাল চত্বরে রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকবৃন্দের ব্যানারে উক্ত কর্মবিরতি পালন করা হয়। কর্মবিরতিতে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মুকুল, যুগ্ন আহবায়ক নুরুল ইসলাম, ড্রাইভার শফি, জাহিদুলসহ নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন হতে আমাদের ইউনিয়নের সাধারন সভার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। ইতোমধ্যে মোঃ তাজুল ইসলাম হারুন চৌধুরী কর্তৃক দায়েরকৃত রীট পিটিশন নং-৪৬২/২০২৫ এর আদেশ এবং বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, রাজশাহী হইতে ৭/১০/২০২৫ খ্রি তারিখের স্মারক মুলে পত্র প্রাপ্তির ১৫ (পনের দিন) এর মধ্যে সাধারন সভার আয়োজন করার কথা ছিল।
প্রতীকী কর্মবিরতি সূত্রে জানা যায়, সাধারণ সভা দেয়ার কথা থাকলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারনে স্থগিত ঘোষনা করা হয়। এরই মধ্যে রীট পিটিশন করা হলে গত ০১/০৩/২০২৬ ইং এর প্রদত্ত আদেশ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর, রাজশাহী প্রাপ্ত হলে ০২/০৫/২০২৬ ইং তারিখ সাধারন সভার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহন করতে শ্রমিকদের আশ্বস্ত করলেও কোন অজ্ঞাত কারণে করা হয়নি।
রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জেপলিন মোঃ তাজুল ইসলাম হারুন চৌধুরীর ভাই হওয়ায়, প্রভাবিত হয়ে সাধারণ শ্রমিকদের স্বার্থ খর্ব করছে রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ ওয়াসিম বারী রাজের সাথে যোগসাজস করে শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সভা আয়োজনের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে আসছে।
ফলশ্রুতিতে আমরা রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন শ্রমিকরা দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যায় সম্মুখিন হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি চরম আকার ধারন করেছে। নির্বাচিত কমিটি না থাকায় প্রতিনিয়ত বহিরাগত সন্ত্রাসী এবং মাদকাসক্ত লোকজন দ্বারা শ্রমিক বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হইতেছে।
তৎকারণে যেকোন সময় শ্রমিক অসন্তোষ চরম রূপ ধারন, করে রংপুরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। যা আমাদের কারও কাম্য নয়।
সে জন্য সংসদ সদস্য-রংপুর সদর-৩, প্রশাসক-রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর, জেলা প্রশাসকদের আন্তরিক ভাবে সচেষ্ট হলে অতিদ্রুত শ্রমিকরা সাধারন সভার মাধ্যমে সমস্যা হইবে বলে আমরা মনে করি।
অন্যথায় আমরা শ্রমিক স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখার জন্য দূর্বার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।এ সময় সাধারন শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।



