ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি সবাই সমান, এমনকি প্রধানমন্ত্রীও ট্রাফিক আইন মেনেই যাতায়াত করছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন বক্তব্য দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তবে সংবাদ সম্মেলন শেষে কমিশনারের গাড়ি বহরকে অনির্ধারিত ক্রসিং দিয়ে ব্যারিকেড সরিয়ে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের গাড়ির বহরের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন ভাঙ্গার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে কমিশনারের গাড়ি বহরকে অনির্ধারিত ক্রসিং দিয়ে ব্যারিকেড সরিয়ে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই ওই ক্রসিংয়ের প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিয়ে দুই পাশে দাঁড়িয়ে যান দুজন পুলিশ সদস্য। কমিশনারের গাড়ি বহর আসার আগে ওই সড়কের দুই পাশের রাস্তাতেই যান চলাচল বন্ধ করে দেন পুলিশ সদস্যরা। কমিশনারের গাড়ি বহর পার হওয়ার পর তারা আবার দড়ির প্রতিবন্ধকতাটি যথাস্থানে রেখে দেন এবং ক্রসিংটি আগের মতো বন্ধ করে দেন।
এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখার উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, মিন্টো রোড কোনোভাবেই একমুখী সড়ক নয়। এ সড়কে উভয় দিকেই যানবাহন চলাচল করে থাকে। যানবাহন চলাচল ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে পরীক্ষামূলকভাবে প্লাস্টিকের অস্থায়ী কোন স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরমুখী যানবাহনকে ইউ-টার্ন করে দক্ষিণমুখী করার একটি অস্থায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। এটি কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা স্থায়ী ট্রাফিক বিধিনিষেধ নয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরো বলা হয়েছে, ডিএমপি কমিশনারের গাড়িবহরের গমনাগমনও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আওতাতেই সম্পন্ন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিশেষ সুবিধা গ্রহণ কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।



