নোয়াখালীর সেনবাগে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩ জন।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনকারী ও হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হারুন মিয়াকে (২৬) গ্রেফতার করেছে।

বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেনবাগ থানাধীন নবীপুর ইউনিয়নের সোমবারিয়া বাজারের পাশে বেলাল মাস্টারের বাড়ির সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দেবী সিংহপুর গ্রামের জয়নাল আবদীনের ছেলে হারুন মিয়া (২৬), আমিনুল্লাহর ছেলে মমিন (২২) এবং মমিন উল্লাহর ছেলে জাহাঙ্গীর (২৪) একত্রিত হয়ে বেলাল মাস্টারের বাড়ির সামনে গাঁজা সেবন করছিলেন।
এ সময় একই গ্রামের শাহজাহান সাজুর ছেলে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২), দুলালের ছেলে রিফাত (২৩) এবং শাহাবুদ্দিনের ছেলে শাকিব (২১) তাদের গাঁজা সেবনে বাধা দেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গাঁজা সেবনকারী হারুন এবং বাধা প্রদানকারী আরাফাত হোসেন ফাহিম ও শাকিবসহ উভয় পক্ষের চারজন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে সায়েম মৃত্যুবরণ করেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার গত রাতে বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযানে নেমে গাঁজা সেবনকারী ও এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হারুন মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।



