নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জয়-পরাজয়ের মীমাংসা হয়নি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই হুলিয়ান আলভারেজের জাদু, আর শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্টিনেজের গোল—এই দুই আঘাতে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ চারে লিওনেল মেসির দলের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। এর ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
পিছিয়ে পড়ার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে সুইজারল্যান্ড। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে আর্জেন্টিনার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। ৬৭ মিনিটে দান এনদয়ে গোল করে সমতায় ফেরান সুইসদের। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল হয়নি।
অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এম্বোলো মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইউরোপের প্রতিনিধিরা। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় আর্জেন্টিনা।
অবশেষে ১১২তম মিনিটে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন হুলিয়ান আলভারেজ। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে রক্ষণ ফাঁকা করে এগিয়ে এলে যোগ করা সময়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন। সেই গোলেই সুইসদের শেষ আশা নিভে যায়।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মেতে ওঠেন মেসিরা। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আর মাত্র দুই ধাপ দূরে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। অন্যদিকে দুর্দান্ত লড়াই করেও কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো সুইজারল্যান্ডকে।
গোলদাতা:
১০ মিনিট—অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (আর্জেন্টিনা)
৬৭ মিনিট—দান এনদয়ে (সুইজারল্যান্ড)
১১২ মিনিট—হুলিয়ান আলভারেজ (আর্জেন্টিনা)
১২০+ মিনিট—লাউতারো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)



