রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতেই স্পিকারের পদ শূন্য, সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব নিলেন ডেপুটি স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকারের পদ শূন্য হয়েছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, সেই মুহূর্ত থেকেই ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। একই সঙ্গে স্পিকারের পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্পিকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনেরও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও দায়িত্ব পালনের জন্য শপথ নিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, শপথের অংশেই উল্লেখ রয়েছে যে, কোনো কারণে স্পিকার দায়িত্ব পালন করতে না পারলে বা স্পিকারের পদ শূন্য হলে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানে যা বলা হয়েছে
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী, স্পিকারের পদ শূন্য হলে, অথবা তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলে কিংবা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের সব দায়িত্ব পালন করবেন।
আর ডেপুটি স্পিকারের পদও শূন্য থাকলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।
সেই বিধান অনুসারেই শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিট থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার এবং একই সময়ে সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে থাকবেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।



