পুলিশের পূর্বের শার্ট বহাল, প্যান্টের রং খাকি

পুলিশের পূর্বের শার্ট বহাল, প্যান্টের রং খাকি। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের অগ্রগতির বিষয় জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি, সারাদেশে এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যে বিদ্যমান পোশাক; আছে এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এবং এটার যেটা দৃশ্যমান যে এই পোশাকটা আসলে ওয়াইডলি একসেপ্টেডও হয়নি। মানানসই না শুদ্ধ বাংলায়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টা বিবেচনা করেছি, যে এই ড্রেসটা কীভাবে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটা ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায় সেটাও বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট— ওপরের অংশ, যেটা ছিল মেট্রোর জন্য এবং সারাদেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। তবে প্যান্ট, পায়জামা সেটার আমরা খাকি ড্রেস দিয়েছি।

এই হিসেবে তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে একটা গ্রহণযোগ্য পোশাক হিসেবে দিয়েছি। সেটা তাদের পরিধান করতে আর কিছুদিন সময় লাগবে। কারণ প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় প্রোডাকশনের বিষয় আছে, জামার বিষয় আছে। এটা এখনো আমরা অফিশিয়ালি ঘোষণা করিনি, তবে আমরা সিদ্ধান্ত দিয়েছি। আজকে ঘোষণা দিলাম।’

গতকাল পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন এগুলো মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ। এগুলো চলছে। এটার কোনো টাইম লিমিট নেই। এটা প্রতিদিনকার কাজ।’

৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক আসামির জামিন পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত কাকে জামিন দেবেন বা দেবেন না, তা সম্পূর্ণ আইনের বিষয়। তবে জামিন পেলেও কোনো অপরাধী পার পাবে না।’

কজন সাংবাদিককে গতকাল বিদেশে যেতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আচ্ছা আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনার মতে হয়তো তাই। আমরা এখনও রিঅর্গানাইজেশনের মধ্যে আছি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অপারেশনে থাকলেও শুধু নারকোটিক্স বিভাগই অপারেশন করে না, পুলিশ-র‌্যাবসহ অন্যান্য সংস্থাও এতে অংশ নেয় এবং সহায়তা করে। দেশে মাদকের বিস্তার হয়েছে, যা একদিনে হয়নি।

এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমরা জোরালো অভিযান চালিয়েছি। প্রতিদিনই এ বিষয়ে অগ্রগতি হচ্ছে। মাদকের পাশাপাশি অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও আমরা যৌথ অভিযান চালাচ্ছি। পুলিশও পৃথকভাবে অপারেশন পরিচালনা করছে।

এ বিষয়ে বিশেষ কোনো অপারেশন পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলোই বিশেষ অপারেশন। মে মাসের ১ তারিখ থেকে আমরা শুরু করেছি, সারাদেশেই চলছে। এখন মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের মধ্যে ব্যবহারকারীদের না ধরে আগে বড় চোরাচালানকারী ও সীমান্ত দিয়ে যারা মাদক আনে, তাদের আটক করার ব্যবস্থা করছি। যারা নেশা করে, তাদের ধরা তুলনামূলক সহজ।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments