ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সুদসহ ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও সিকদার পরিবারের সদস্য, ব্যাংকের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন, সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার, তার ভাই রিক হক সিকদার ও মমতাজুল হক সিকদার, বোন পারভীন হক সিকদার ও লিসা ফাতেমা হক সিকদার, সৈয়দ কামরুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন, সৈয়দ মাহবুব-ই-করিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির কর্মকর্তার এম. এম. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. জহুরুল হক, আব্দুল আজিজ, ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, সাবেক পরিচালক ফারজানা পারভীন, আতিকুর নেসা, খন্দকার ইফতেখার আহমদ, মোহাম্মদ ইসহাক, আহমদ মুক্তাদির আরিফ, ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বদরুন নেছা, মো. ওয়াহিদুল আলম শেঠ, জামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোল্লা ফজলে আকবর, মো. শেখ আলম ও মনিশংকর বিশ্বাস।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সুদসহ যা বকেয়া দাঁড়িয়েছে ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা। ওই অর্থ পরবর্তীতে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং অপরাধ করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/১২০খ; ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।



