সিলেট জেলার ৭টি জাফলং, শাহ আরেফিন টিলা, ভোলাগঞ্জ, উৎমাছড়া, শ্রীপুর, বিছনাকান্দি এবং লোভাছড়া এবং বান্দরবান জেলার ১০টি ঝিরি-ছড়া পাথর কোয়ারিতে পরিবেশবান্ধব টেকসই ইকো-ট্যুরিজম বিকাশের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা এবং কর্মপরিকল্পনা আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট ও বান্দরবন জেলার জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেন।
এছাড়া সিলেট জেলার উল্লেখিত ৭টি পাথর কোয়ারিসহ সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে ধ্বংসাত্মক, ক্ষতিকর ও বিপজ্জনকভাবে পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত ও প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে সে বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। পাথর কোয়ারিগুলো থেকে ধ্বংসাত্মক, ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক পাথর উত্তোলন, সংগ্রহ ও অপসারণের কার্যক্রম যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে আদালতে হাজির হয়ে সিলেটের পাথর কোয়ারিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পাথর উত্তোলন, আহরণ ও অপসারণ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
অন্তবর্তিকালীন আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। বেলা’র পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী। তাঁকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট এস. হাসানুল বান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহা. এরশাদুল বারী খন্দকার।



