স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্থাপিত ৫৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে এক বছর যাবৎ ওযুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ওযুধ সরবরাহ না থাকায় অধিকাংশ ক্লিনিক বন্ধ থাকে । দিনের পর দিন সেবা নিতে এসে রোগীরা ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে ।
সরেজমিনে জানা গেছে, পৌর সদরসহ উপজেলা ১৬ ইউনিয়নসহ একটি পৌরসভার প্রায় ৪ লাখ মানুষের বসবাস। গ্রামীন জনপদের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এর কার্যক্রম এখন চলছে ধীর গতিতে । ওযুধ সরবরাহ না থাকায় অধিকাংশ ক্লিনিকের মূল ফটকে ঝুলছে তালা । এসব ক্লিনিকের দায়িত্বে রয়েছে ৫২ জন কমিউনিটি বেজ হেলথকেয়ার সিএইচসিপি রয়েছে। গরহাজির ও ওযুধ না থাকায় তাদের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে এসব সিএইচসিপিদের ।
কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি সুমন হাওলাদার, বরইতলা কমিউনিটি ক্লিনিকের আশিষ বিশ^াস, বদনীভাঙ্গার জিয়াউর রহমান সহ একাধিকরা বলেন, গত বছর ৫ আগষ্টের পর থেকে অদ্যবদি সিবিএইচসি প্রকল্পের ক্লিনিকের ওষুধ সাপ্লাই বন্ধ রয়েছে। যে কারনে প্রাথমিক চিকিৎসার ২২ প্রকারের ওষুধ রোগীদের দেয়া যাচ্ছে না। ওষুধ দিতে না পারায় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আশা রোগীদের সাথে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এলাকাবাসির পক্ষে ইয়াকুব মুন্সী, সোনিয়া বেগম, জাহিদ হাওলাদার বলেন, কোন কোন সপ্তাহে ৩ দিন ক্লিনিক খোলা হলেও তাও আবার ডাক্তার ২/৩ ঘন্টা থেকে বন্ধ করে চলে যায়। ডাক্তার বলছেন ওষুধ নেই।
হাসপাতালের এমপিপি আই দিপক কুমার বলেন, গত বছরের ৫ আগষ্ট থেকে সকল কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সাপ্লাই বন্ধ রয়েছে। যে কারনে কেন্দ্রগুলোতে রোগীরা ওষুধ পাচ্ছে না। ওষুধ বরাদ্ধ হলে এ সমস্যা আর থাকবে না। হাসপাতালে স্টোর কিপার কেএম মাসুদ বলেন, ওষুধ চাহিদার কোন বিষয় নেই। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সিএইচসিবি প্রকল্পের ওষুধ সরবারাহ সারাদেশে বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক বরাদ্ধকৃত ওষুধ সল্প সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে।



