বাংলাদেশ ব্যুত্থান এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে থান্ডার কিক বিষয়ক স্পোর্টস সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার কাঠমা-ু’র ন্যাশনাল স্পোর্টস একাডেমিতে ১৮ জন কমব্যাট স্পোর্টস অনুশীলনকারী এই সেমিনারে অংশ নেন। সেমিনারে গ্র্যান্ড মাস্টার ইউরী বজ্রমুনির অনন্য বিশ্বরেকর্ড ভিত্তিক শিক্ষার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যুত্থান এসোসিয়েশন আয়োজিত এই সেমিনারের মূল বিষয়বস্তু ছিল থান্ডার কিকের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, যা ক্রীড়াবিজ্ঞানের নীতিমালা, বজ্রপ্রাণ ব্যায়াম এবং ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। এটি গতিশীল পায়ের শক্তি ও বিস্ফোরণশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মি. গণেশ গ্র্যান্ড মাস্টার ইউরী বজ্রমুনি উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ঐতিহ্যবাহী নেপালি পদ্ধতিতে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জ্ঞানের ভাগাভাগির জন্য গ্র্যান্ড মাস্টারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। ইউরী বজ্রমুনি বলেন, কমব্যাট অ্যাথলেটদের জন্যই নয় বরং যে কোনো ক্রীড়া অনুশীলনকারীর জন্য ফুর্তি, গতি এবং শক্তি বৃদ্ধি করে।
অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে অনুপ্রাণিত অংশগ্রহণকারীরা সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী নেপালি পদ্ধতিতে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জ্ঞানের ভাগাভাগির জন্য গ্র্যান্ড মাস্টারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
বাংলাদেশ ব্যুত্থান এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে এবং ২০১৩ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে ব্যুত্থানকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ক্রীড়া হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি, ইউনেস্কো-আইসিএম তাদের সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যুত্থানকে স্থান দিয়েছে এবং এটি একটি স্বতন্ত্র বাংলাদেশি কমব্যাট স্পোর্ট ও মার্শাল আর্ট হিসেবে বৈশ্বিক গুরুত্বের স্বীকৃতি প্রদান করেছে।



