শাহ আলীতে নামের মিলে ফেঁসে গেলো ব্যবসায়ী

১৫ ডিসেম্বর রাত ১০ টা। রাজধানীর শাহআলী এলাকা। মাদকের অভায়রন্য বলা চলে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তৎপর থাকলেও মাদক বিকিকিনি কমছেনা। ধরাও পড়ছে অনেক কারবারি। তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যারা ধরা পড়ছে তাদের সকলেই কি মাদক কারবারি।

ভুল তথ্যে নিরীহ মানুষও ফেঁসে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। হ্যা এমন একটি ঘটনার খবর পাওয়া গেল শাহ আলী থানা এলাকায়। কথায় আছে নামে নামে জমে টানে। আর এমনটি ঘটেছে মনির নামের একজন রেন্ট এ কার ব্যবসায়ীর সঙ্গে। ওই এলাকায় মনির নামের একাধিক মাদক বিক্রেতা রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের অভিযানে এই ব্যবসায়ী মনির এখন কারান্তরীন। মাদক বিক্রেতাদের বাঁধা দেয়াই তার জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভুল তথ্য দিয়ে তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। বাসায় তল্লাসী চালিয়ে কিছুই পাওয়া না গেলেও অন্য আরেকজন মাদক বিক্রেতার কাছে পাওয়া ইয়াবা ট্যাবলেট তার কাছে পাওয়া গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তার পরিবারের দাবি তিনি মাদক বিক্রেতা নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী।

স্থানীয় একজন দোকানি জানান, তার কাছে সাদা কাগজে সাক্ষর নিয়েছে র‌্যাব। তাতে কি লেখা তা তিনি জানেননা। তাকে সাক্ষি বানানো হয়েছে মনিরকে গ্রেপ্তারের ঘটনায়। অথচ তার দাবি এই মনির কোন মাদক কারবারি নয়। ওই এলাকায় মাদক কারবারিদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো বাহারি নামের মনির। মুরগি মনির, স্টিক মনির, আমেনা বুজিরে পোলা মনির, গাজা মনির ও বাবা মনির। এরা সকলেই শাহআলী এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি।

ব্যবসায়ী মনিরের স্ত্রীর দাবি হয়রানী করতেই তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে র‌্যাব সদর দপ্তর ও র‌্যাব-৪ এর দ্বারে দ্বারে বিচার দাবি করছেন।

তিনি বলেন, ওইদিন রাতে আমার বাসায় র‌্যাব এসে তল্লাসি করে। কিন্তু কিছু পায়নি। এরপর একজনকে ধরে নিয়ে আসে ইয়াবাসহ। তার কাছে র‌্যাব জানতে চায় কোথায় পেয়েছে এসব তখন ওই ছেলে বলেছে সে কিনে এনছে। কিন্তু ওই ইয়াবা দিয়ে আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার দেখায়। বাসার পাশের দোকানদারকে সাক্ষি হিসেবে সাই নিয়েছে। কিন্তু আমার স্বামীর কাছে কোন ইয়াবা ছিলনা, সে ওই ব্যবসা করেও না। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments