আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে যে কোন মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার উদ্ভব হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রাক-নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে। পুলিশের টহল ছাড়াও চেকপোস্টের মাধ্যমে তল্লাশি জোরদার করতে হবে।
গতকাল সোমবার সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা প্রদান করেন আইজি বাহারুল আলম। তিনি বলেন, পুলিশের আইনি কাজে কেউ কোন ধরনের বাধা সৃষ্টি করলে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে হবে।
তিনি থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার তৎপরতা বাড়াতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি লুন্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ঘোষিত পুরস্কার সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পুলিশ সদর দপ্তর প্রান্তে ছিলেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, ডিআইজি (অপারেশনস) মোঃ রেজাউল করিম, ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) মোঃ কামরুল আহসান প্রমুখ।
সভায় নভেম্বর ২০২৫ মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা, মামলা তদন্ত ও বিচারের ফলাফল, সাজার হার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।



