নানা প্রতিকূলতা, বৈষম্য ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে যারা নিজেদের অদম্য সাহস ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন, তাঁদেরই বলা হয় ‘অদম্য নারী’। নারীর অগ্রযাত্রা ও সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে এবছর দেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগে প্রথম ‘অদম্য নারী’ পুরস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই উদ্যোগ নারী উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এ লক্ষ্যে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ৪০ জন নারীকে ‘অদম্য নারী’র সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ের ৪০ জনের মধ্য ১০ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে বিভাগীয় সেরা ‘অদম্য নারী’ ঘোষণা করা হয়।
বিজয়ীরা হলেন- শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী শেরপুর উপজেলার রিজু তামান্না; সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে শিবগঞ্জ উপজেলার সুমাইয়া ইসলাম; বিভাগীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী পাবনা সদর উপজেলার মোছা. লতা খাতুন; সফল জননী নারী রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার রাশেদা বেগম ও নির্যাতনের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা চারঘাট উপজেলার রাজিয়া খাতুন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মনির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার ও রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উপ-কমিশনার মো. রিয়াজুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, অদম্য নারীদের এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতি নয়, বরং সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন, আত্মমর্যাদা ও নেতৃত্বের বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।


