নারী প্রকাশক বাড়লেও কমেছে তাদের বই

বইমেলাগুলোতে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যার বিচারে নারী লেখকরা বরাবরই পুরুষের তুলনায় পিছিয়ে থাকেন। সমানতালে এগোতে পারেন না। তবে বছর কয়েক আগেও মেলায় নারীদের বই যে হারে বাড়ছিল এবারে তার উলটো চিত্র দেখা গেছে। হঠাৎই কমে গেছে নারীদের বইয়ের সংখ্যা।

এমনকি মেলায় নারীদের উপস্থিতিও আগের মতো দেখা যাচ্ছে না। প্রকাশকরা বলছেন, পরিবার ও সমাজের পিছুটান আর প্রতিবন্ধকতার কারণে নারী লেখকদের সংখ্যা কমেছে।

তবে নারীদের বই কমলেও কিছুটা আশার আলো দেখা গেছে প্রকাশনা শিল্পে। সব বাধার পাহাড় ঠেলে নারী প্রকাশকদের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। মেলায় অংশ নেওয়া ৫৩৫টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবার নারীদের প্রতিষ্ঠান ৪০টি হলেও তা গেল বছরের চেয়ে বেশি।

এমনটাই দাবি করছেন কয়েক জন নারী প্রকাশক। তারা বলছেন, পুঁজি ও বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা, পরিবেশনা ও বিতরণব্যবস্থায় সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশের চ্যালেঞ্জ, বিপণন ও দৃশ্যমানতার ঘাটতি, পেশাগত স্বীকৃতির সংকটসহ পরিবার ও সমাজের পিছুটান আর প্রতিকূলতা ছাপিয়েই তারা প্রকাশনায় এসেছেন এবং এ যুদ্ধে লড়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

গতকাল শনিবার বইমেলার ১০তম দিনে মেলা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে নারী লেখকের বইয়ের সংখ্যা এতটাই কম, যা হতাশাজনক। এমনকি কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে নারীর বই নেই-ই!

প্রথম প্রকাশনীর স্টল ইনচার্জ সনাতন

বড়াল জানান, এ বছর প্রথমা থেকে ৪০টি বই প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে নারীদের বইয়ের সংখ্যা মাত্র তিনটি। একইভাবে অন্য প্রকাশের পরিচালক সিরাজুল কবির চৌধুরী কমল জানান, তাদের ৫০টি বইয়ের মধ্যে নারীর বই মাত্র গোটা দশেক, সময় প্রকাশন জানায়, সময় প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে নারীর বই রয়েছে তিনটি, ইউপিএল-এর এবারের প্রকাশিত ১২টি বইয়ের মধ্যে নারীর বই মাত্র দুটি, মাওলা ব্রাদার্সের এবারের ১২টি বইয়ের মধ্যে তিনটি মাত্র নারীর, পাঠক সমাবেশের এবারের আট বইয়ের মধ্যে মাত্র একজন নারী লেখকের বই রয়েছে, জাগতি এনেছে ১১টি বইয়ের মধ্যে নারীর তিনটি, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ৮০টি বইয়ের মধ্যে ১৫টি নারীর বই।

এছাড়াও বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখা গেছে, নারীদের বইয়ের সংখ্যা কম। কোনো কোনো প্রকাশনীতে দেখা গেছে, শতাধিক পুরুষ লেখকের পাশাপাশি নারীদের লেখা কোনো বই-ই নেই! অধিকাংশ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে নারীদের বই প্রকাশের হার আগের চেয়ে অতি সামান্য। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা জানান, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নারীদের সরব উপস্থিতি না থাকলে নারী লেখদের সংখ্যা বাড়বে না।

মৌলবাদী হামলায় স্বামী ফয়সাল আরেফিন দীপন নিহত হওয়ার পর রেখে যাওয়া জাগৃতি প্রকাশনীর হাল ধরেছেন তার স্ত্রী ডা. রাজিয়ার রহমান জলি। তিনি বলেন, ‘জাগৃতি’ তার প্রতিবাদের ভাষাও।

জলধি’র প্রকাশক ও লেখক নাহিদা আশরাফী বলেন, প্রকাশক-তিনি নারী বা পুরুষ যেই হন না কেন
বেশির ভাগ সময় বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে বই ছাপেন। পরিচিত পুরুষ লেখকদের বই বিক্রির সম্ভাবনা বেশি-এমন ধারণা থেকে অনেক নতুন নারী লেখককে প্রকাশের ঝুঁকি কম নেওয়া হয়।

নারী প্রকাশক থাকলেও বাজারের এই বাস্তবতা অনেক সময় তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। নারী লেখকদের বই নিয়ে গভীর সমালোচনা, গবেষণা বা পাঠক আলোচনার ক্ষেত্র এখনো সীমিত। সাহিত্যচর্চার এই বৌদ্ধিক পরিসর বড় না হলে নতুন লেখকও উৎসাহ পান না।

নারীরা যখন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, শরীর, সম্পর্ক বা সমাজের সমালোচনা নিয়ে লিখতে চান, তখন প্রায়ই সামাজিক চাপ বা সমালোচনার মুখে পড়েন। অনেক নারী লেখক মনে করেন, খোলামেলা লিখলে পরিবার বা সমাজে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। এই আত্মসংযমও নারী লেখার বিস্তারকে কমিয়ে দেয়। তাই প্রকাশক বাড়লেও সত্যিকারের লেখক মনন ধারণ করা নারী সংখ্যায় কম।

বয়সে অনেকটাই তরুণ হলেও বেশ সাহসী বইউদ্যান প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী শেখ জান্নাতুন নিসা বলেন, প্রকাশনা শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষ-প্রধান নেটওয়ার্ক কাজ করছে। লেখক, পরিবেশক, বিক্রেতা এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নারী প্রকাশকদের সুযোগ তুলনামূলক কম থাকে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা নীতিনির্ধারণে তাদের উপস্থিতি কম দেখা যায় এখনো।

এছাড়া অনেক নারীকে পরিবার, সংসারের দায়িত্বের সঙ্গে ব্যবসা সামলাতে হয়। ফলে লেখক-পাঠকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা বা ব্যবসা বিস্তারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে যায়। তার ওপর আরো নানা চাপ তো রয়েছেই। এসব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

ঝুমঝুমি প্রকাশনীর কর্ণধার শায়লা রহমান তিথি বলেন, ‘সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হলে নারী প্রকাশকদের সংখ্যা আরো বাড়বে।’ অভ্র প্রকাশের সমা খান বলেন, ‘নানা সংকটের সঙ্গে সামাজিক ও পারিবারিক নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাচ্ছি।’

জাগৃতি, ঝুমঝুমি, অভ্র ছাড়াও এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে শেখ জান্নাতুন নিসার বইউদ্যান, জেবুন্নেছা জেবুর সৌম্য প্রকাশনী, মনোয়ারা সুলতানার হুল্লোড়, শায়লা রহমান তিথির ঝুমঝুমি প্রকাশন, ফাতেমা তুজ জোহরার জলপরী, কবিতার টইটম্বুর, মাহবুবা লাকির চিরদিন প্রকাশনী, বিপাশার মাটিগন্ধা, শাহীনা আক্তারের বর্ণবই, লিলি হকের চয়ন প্রকাশনী, জোবায়দা গুলশান আরা হেনার পিপিএমসি, সাজেদা হেলেনের নব আলো, সুস্মিতার চিল্ড্রেন বুক কালেকশন, গুলশান আরা বাবলীর অন্বয় প্রকাশ, নাজমা আক্তারের চিলড্রেন স্টার, শামীমা শাহীনের চন্দ্রদীপ, রুমানা শারমীনের দ্য পপ আপ, নাহরীন জান্নাতের চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনী, শাহনাজ পারভীনের বইবাংলা, নিলুফা ইয়াসমীনের সাত ভাই চম্পা, রীনা রানী রায়ের মা প্রকাশনী, শিখা সরকারের সপ্তবর্ণ, রেইনি দিল আফরোজ নাসরীনের মা ও শিশু, কাব্য সুলতানার উষার দুয়ার, রমা রানী পালের শিশু গ্রন্থকুটির, নাহিদা আশরাফীর জলধি ও তিসমার ময়ূরপঙ্খী।

মাহরুখ মহিউদ্দিনের ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স লিমিটেড (ইউপিএল) এখন পরিচালনা করছেন তার মেয়ে। এছাড়া ধ্রুপদী পাবলিকেশন্স, পেন্ডুলাম পাবলিশার্স, সুবর্ণ প্রকাশনী, আনন্দম, চিত্রা প্রকাশনী, প্রত্যয়, অধ্যয়ন প্রকাশন ও বৈভব প্রকাশনী পরিচালনা করছেন নারীরা।

এত বইয়ের ভিড়ে নারীর বই এত কম কেন জানতে চাইলে সময় প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী ফরিদ আহমেদ বলেন, এ বছর নানা দোলাচলের মধ্যে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যায়নি। আমি অন্তত ১০ শতাংশ নারী লেখকদের বই রাখার চেষ্টা করি। এ বছরে ‘আমি নারী আমি পেশাজীবী’-এই একটা বইয়েই ১৮ নারীর লেখা রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে নারীর লেখা কম আসার কারণ হচ্ছে-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নারীর সরব এবং স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তুলনামূলক কম হওয়াও একটি কারণ। কেবল জনসংখ্যার দিক থেকে নারী-পুরুষ সমান হলে হবে না। সবক্ষেত্রেই বৈষম্য রয়েছে। গত রেজিমে নারীরা যেভাবে এগিয়ে এসেছে সেই ধারাবাহিকতা থাকলে নারী লেখকের সংখ্যা বাড়বে।

অন্যপ্রকাশ-এর পরিচালক সিরাজুল কবির চৌধুরী কমল বলেন, মূলত নারীরা লেখালেখিতে কম। কারণ তারা সংসারের বোঝা টানতে টানতে সময় দিতে পারেন না। নারীরা যত বেশি লেখালেখিতে আসবেন সমাজ ততই এগুবে এবং লাভবান হবে। কারণ তাদের অভিজ্ঞতা, ধৈর্য যেমন বেশি দৃষ্টিভঙ্গিও অসামান্য।

চারুলিপি প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী হুমায়ুন কবির বলেন, নারীরা লেখালেখিতে কম। আর কিছু কিছু লেখক স্বামীর অত্যাচার, সামাজিক অত্যাচার, রাজনৈতিক নিপীড়নে বাধ্য হয়ে লেখেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশিষ্ট কবি জরিনা আখতার একটু ভিন্ন মত পোষণ করলেন। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, তুলনামূলকভাবে পুরুষ লেখকেরা বই প্রকাশের ক্ষেত্রে যতটা এগিয়ে আছেন, নারী লেখকরা ততটা নন। আশার কথা, প্রকাশনায় নারীরা এগিয়ে এসেছেন। নারী লেখকদের সংখ্যা খুব যে কম তা বলা যাবে না। কিন্তু বই প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা সেভাবে অগ্রসর নন। বইমেলায় তো প্রচুর নারী লেখকের বইয়ের দেখা মেলে। কিন্তু তারা সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নন, লেখার গুণমানও লক্ষ্যযোগ্য নয়। সেই অর্থে এই চিন্তাটা চেতনায় আসে নারী লেখকের বই কম কেন।

জরিনা আখতার বলেন, প্রকৃত অর্থে যারা লেখক সেই ক্ষেত্রে নারীদের বই অপ্রতুল। নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে, সমাজে নারী অনেক এগিয়েছে। নারী উচ্চশিক্ষিত, প্রগতিশীল, আত্মনির্ভরশীল তবু কোথায় যেন একটু সূক্ষ্ম প্রতিবন্ধকতা তাকে সব কাজেই পেছনে ফেলে রাখে। লেখার শারীরিক ও মানসিক অবসরের প্রয়োজন। সংসার ও পরিবারের দায়দায়িত্ব নারীকে পোহাতে হয় কিছুটা বেশি।

লেখালেখির ক্ষেত্রে প্রবলভাবে বাধার সম্মুখীন হতে না হলেও মানসিক অবসরের অভাব তাকে পীড়িত করে, লেখালেখির ক্ষেত্রে অগ্রসরতা সীমিত হয়ে পড়ে। এছাড়া আমি বলব না প্রকাশকরা অসহযোগিতা করেন। প্রকাশককে যোগ্য নারী লেখকের খোঁজ রাখতে হবে, তার বই প্রকাশে এগিয়ে আসতে হবে। সবসময় অন্যের সাহায্য-সহযোগিতার কথা না ভেবে বই প্রকাশের ক্ষেত্রে নারীকে নিজেই সচেষ্ট হতে হবে।

ভূপর্যটক ও লেখক মহুয়া রউফ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ কম ছিল। ফলে লেখালেখির জগতে প্রবেশ করার সুযোগও কম ছিল। উনিশ শতকেই নারী লেখক ছিলেন হাতেগোনা। তবু আমরা সৌভাগ্যবান যে, বেগম রোকেয়া আমাদের পথ দেখালেন।

তিনি নারীদের শিক্ষা ও লেখালেখির পথ খুলে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশের সমাজে এখনো অনেক ক্ষেত্রে মেয়েদের ওপর পরিবার ও সংসারের দায়িত্ব বেশি থাকে। লেখালেখির সময় ও মানসিক স্বাধীনতা অনেক নারী সহজে পান না। এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।

নারীরা যদি ব্যক্তিগত জীবন, শরীর বা সমাজের সমালোচনা নিয়ে লিখেন তবে সমালোচনা বা আক্রমণের মুখে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, এমন উদাহরণ আছে। এসব সীমাবদ্ধতা নারীর লেখক হওয়ার পথে বাধা। নারী লেখক কম মানে প্রতিভা কম নয়; বরং সুযোগ ও পরিবেশের সীমাবদ্ধতা বেশি ছিল।

গতকাল অমর একুশে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে শিশুকিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

মূল মঞ্চ

বিকালে মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘জন্মশতবর্ষ: নূরজাহান বেগম’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসরাইল খান। আলোচনায় অংশ নেন সোহরাব হাসান। সভাপতিত্ব করেন লুভা নাহিদ চৌধুরী। লুভা নাহিদ চৌধুরী বলেন, মুসলিম নারীদের জন্য প্রথম সার্থক সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘বেগম’ নারীদের সৃজনশীলতাকে উজ্জীবিতকরণ ও আত্মপরিচয় সৃষ্টির একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছিল।

নূরজাহান বেগম কেবল উত্তরাধিকার সূত্রেই নয়, তিনি তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে ‘বেগম’ পত্রিকাটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আলোচনা-পরবর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন মিনহাজুল হক।

আবৃত্তি করেন সাহিদা পারভীন রেখা, আনজুমান আরা এবং আজহারুল ইসলাম রনি। সংগীত পরিবেশন করেন ফেরদৌস আরা, পিয়াল হাসান, নিশাত আহমেদ, মো. ইউসুফ আহমেদ খান, জয় শাহরিয়ার, নির্ঝর চৌধুরী এবং মো. শফিউদ্দিন।

নতুন বই

বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গতকাল দশম দিনে মেলায় নতুন বই এসেছে ১৮৫টি। আর গত ১০ দিনে মেলায় মোট নতুন বই এসেছে ৭৫৮টি। এর মধ্যে সময় প্রকাশন এনেছে স্নিগ্ধা বাউল সম্পাদিত-‘আমি নারী আমি পেশাজীবী’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি. এনেছে কিযী তাহ্নীনের ‘মসলার কৌটা’, অনুপম প্রকাশনী এনেছে শান্তা শ্রীমানীর ‘মোগল গার্ডেন’, আগামী প্রকাশনী এনেছে শওকত আরা হোসেনের ‘বাংলার রাজনীতি ও ব্যবস্থাপক সভা’, প্রতিভাষা প্রকাশন এনেছে পল্লব মোহাইমেনের ‘প্রযুক্তির এই দিনে’, অনির্বাণ এনেছে আবুল কাসেমের ‘আঁধার রাতের তারা’, বাংলা একাডেমি এনেছে মোহাম্মদ আজম সম্পাদিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রবন্ধ’, জলধি এনেছে জাহাঙ্গীর হোসাইনের ‘সাপের ঠোঁটে চুমু খেয়েছি’ উল্লেখযোগ্য।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বাধিক পঠিত

Recent Comments