বগুড়ার সান্তাহারে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার ২১ ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যদিয়ে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও নীলফামারীর সঙ্গে ঢাকার ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী যাত্রীবাহী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরুর মধ্য দিয়ে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার খবর নিশ্চিত করে রেলওয়ে পশ্চিম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহমদ হোসেন মাসুম জানান, লাইন নির্মাণ কাজ মোটামুটি স্বাভাবিক। এই স্থানটিতে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলাচল করছে। সেই সঙ্গে আমাদের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় ২শ মিটার রেললাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
আপাতত সেগুলো মেরামত কওে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে। লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ টি বগি উদ্ধার করে রেললাইনের পাশে রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো সৈয়দপুর রেলওয়ে কারাখানায় নিয়ে যাওয়া হবে।
এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটি অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটির নয়টি বগি বগুড়ার সান্তাহারের বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এতে আহত হন অর্ধশতাধিক যাত্রী। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরের একতা, দ্রুতযান, পঞ্চগড়, নীলসাগর ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের চলাচল।
দুর্ঘটনার পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। ঘটনার পর দায়িত্ব অবহেলার কারণে সান্তাহারের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।



