সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের উৎমা সীমান্ত দিয়ে গত ১ এপ্রিল (বুধবার) বিকালে অবৈধভাবে ৪/৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি সুপারি চুরির উদ্দেশ্যে মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পল্লী ও রাজন টিলার ২-৩ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে পড়ে।
গহীন পাহাড়ে সুপারির বাগানে সুপারি চুরি করার এক পর্যায়ে ভারতীয় খাসিয়ারা তাদের ঘিরে ফেলে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
পরবর্তীতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় অন্যান্যদের সহায়তায় ১ জন আহত নাগরিককে নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও, সঙ্গীয়দের ভাষ্যমতে অপরজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা যায়।
নিখোঁজ বাংলাদেশী চোরাকারবাররির পরিচয় মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩২)। তার বাড়ি কোম্পানীগঞ্জের লামাগ্রামে।
এখবর বিজিবির নিকট আসা মাত্রই দ্রুততম সময়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করে। তবে বিজিবি নিখোঁজ ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য এখনও জানতে পারেনি।
ঘটনার তিন দিন পর সাদ্দাম হোসেনের পরিবার শনিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেন।
এদিকে, বিজিবি জানায় নিখোঁজ ব্যক্তি ইতোপূর্বে সুপারি চুরিসহ অন্যান্য চোরাচালানির সাথে জড়িত ছিল। নিখোঁজ ব্যক্তির বিষয়ে বিজিবি কর্তৃক প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও অবস্থান সনাক্তকরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়াও বিএসএফ এর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া মাত্রই বিজিবিকে জানাবে বলে বিএসএফ আশ্বাস প্রদান করেছে।
সিলেট বিজিবি-৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর বিজিবি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আমরা বিএসএফের কাছে তাদের সীমান্ত এলাকায় কোনো মরদেহ পড়ে আছে কি না, জানতে চেয়েছি। তবে বিএসএফ এমন কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি।
বিজিবি কর্মকর্তা নাজমুল হক আরও বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করতে সচেতন করা হয়েছে।


