রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষের অভিযোগ উঠেছে। গোপনে দুইজনকে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে চাকরিপ্রার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মাদ্রাসার সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে নিয়োগ বাতিল, অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীনকে অপসারণ ও পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। চাকরিপ্রার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া শাবনুর এবং ল্যাব সহকারী পদে মরিয়ম খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মশিউর রহমান অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং কোথাও স্বাক্ষরও করেননি।
অন্যদিকে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, আগের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে তাদের ড্রাফট ফেরত দেওয়া হলেও পরে গোপনে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীন বলেন, নিয়ম মেনেই যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছে।



