ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগে ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যে নাম আসার দাবি
বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার মো. সাইফুর রহমানকে (তৎকালীন র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের স্কোয়াড্রন লিডার) বিমান বাহিনীর নিজস্ব কর্তৃপক্ষের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক সেনা কর্মকর্তার সাক্ষ্যে তার নাম উঠে আসার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এরপর বিদ্যমান আইন ও সামরিক বিধি অনুযায়ী তাকে বিমান বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, এম ইলিয়াস আলীকে জোরপূর্বক গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার সময় তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ইন্টেলিজেন্স উইংয়ে স্কোয়াড্রন লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য উপস্থাপনের পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ বিষয়ে বিমান বাহিনী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা তদন্তসংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে উইং কমান্ডার মো. সাইফুর রহমানের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।



