গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লং মার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি সফল করতে রংপুরে মাঠে কাজ করছেন জোটের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে লং মার্চের সমাপনী সমাবেশস্থল রংপুর জিলা স্কুল মাঠ পরিদর্শন করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান ও সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম কাজলসহ নেতারা।
এ সময় জামায়াত নেতারা বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও তেলের সংকট দূর করা, দলীয়করণ, দখলদারিত্ব, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে এ লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন বলে জানান নেতারা। উত্তরবঙ্গের ২২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় রংপুর বিভাগীয় লং মার্চ চট্টগ্রামের কর্মসূচির চেয়েও বড় হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমরা যে দাবিতে লং মার্চ করছি, এটি জামায়াতের কোনো দাবি নয়, এটি জনগণের দাবি। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে, দলীয়করণ বন্ধ হবে এবং সুশাসন নিশ্চিত হবে।’
তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা যে লক্ষ্য নিয়ে আত্মত্যাগ করেছিল, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ হবে।
তিস্তা নদীর পাড়ের মানুষের স্বার্থ ও অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহী হয়েছিল। কিন্তু কোনো পরোক্ষ শক্তির কারণে সরকারের সেই উদ্যোগ থেমে গেলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
গণমানুষের দাবির এ আন্দোলনে চট্টগ্রামের চেয়ে রংপুরে বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবে বলেও প্রত্যাশা করেন জামায়াতের এই নেতা।



