ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাত পৌনে ১১টার দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসলাফিল রতন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা গেছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল বলেন, রাত ১১টার কিছু আগে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ তিনি নিজেও শুনেছেন। হলের দারোয়ান তাঁকে জানিয়েছেন, হলের মূল ফটকের বাইরের সড়কে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর হলের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ছাড়া অন্য কোনো বহিরাগতকে হলে প্রবেশ করতে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরণের প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশে শেষ হয়।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘যারা পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে চাইবে, তাদের রাজপথে মোকাবিলা করা হবে।’ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেউ কার্যক্রম চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পাসে বোমাবাজি ও ককটেলবাজির মতো কর্মকাণ্ড করছে। তাদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঘোষিত কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি হল, ক্যাম্পাস ও একাডেমিক ভবনসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে সজাগ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান।



