২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফের গুলিতে কিশোরী ফেলানী খাতুন নিহত হয়। ভারতের তারকাঁটার বেড়ার ওপর ফেলানীর লাশ ঝুলছিল। ফেলানীর লাশ ঝুলে থাকা সেই ছবি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপক সমালোচিত হয়। এরপর কেটে গেছে ১৫ বছর।
কিশোরী ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই মো: আরফান হোসেন সম্প্রতি বিজিবিতে ১০৪তম ব্যাচে সিপাহী পদে যোগদানের সুযোগ পেয়েছেন। আজ শুক্রবার আরফান হোসেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেবেন। ফেলানীর পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনার ভেতরে তার ছোট ভাইয়ের বিজিবিতে যোগদান নিয়ে এক নতুন আশার আলো বয়ে এনেছে।
পরিবার জানায়, ফেলানী হত্যার পর দেশবাসীর ভালোবাসা ও প্রতিবাদ তাদের মানসিক শক্তি জুগিয়েছে এবং বিজিবি সবসময় পাশে থেকেছে। আরফান বলেন, মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ ও দেশের মানুষের সেবার সুযোগ পাওয়ায় তিনি গর্বিত।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ফেলানীর পরিবারের প্রতি বিজিবির সহমর্মিতা সবসময় অব্যাহত থাকবে। আরফান প্রশিক্ষণ শেষে একজন দক্ষ ও যোগ্য সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন বলে বিজিবি আশাবাদী।



