অতিসংক্রমিত রোগ হামে ২২ শিশুর মৃত্যু

মহাখালী সংক্রমকব্যাধি হাসাপাতালের ২ নম্বর কেবিনের ১ নম্বর বিছানায় চিকিৎসাধীন ৮ মাসের শিশু আব্দুল্লাহ। রাজধানীর শনির আকড়া থেকে আসা শিশুটির মা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা ১৯ মার্চ থেকে বাচ্চা নিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি।

প্রথমে জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, প্রশ্রাবের ইনফেকশন নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। এরপর এই হাসপাতালে আসলে জানতে পারি আবদুল্লাহ হাম হয়েছে। শিশুটির ৩ মাস বয়সে টিকা নেয়া হয়েছিল। এরপর অসুস্থ্যতার কারণে আর টিকা নেওয়া হয়নি। হাসপাতালের শিশুটিকে নিয়ে মা ও খালা উৎকন্ঠায় সময় পার করছেন।

আব্দুল্লাহর মতো সারাদেশে অসংখ্য শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কমপক্ষে ১০ জেলায় রোগটি বেশি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছর শুধু সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালেই ২২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মায়ের পেট থেকে শিশু মায়ের ইমিউনিটি নিয়ে জন্মায়, সেই ইমিউনিটি ৯ মাস পর্যন্ত থাকে বলেই ৯ মাস পরে শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয় ৯ মাস বয়সে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় ১৫ মাস বয়সে।

কিন্তু এ বছর হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬০ ভাগের বয়স ৯ মাসের কম। ফলে শিশুদের ইমিউনিটি সিস্টেম দূর্বল, কিংবা শিশুকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত ‘এক্সক্লুসিভ ব্রেষ্টফিডিং’ না করানো কিংবা গত ২ বছর ভিটামিন-এ এবং কৃমিনাশক ওষুধ না খাওয়াও দ্রুত হাম হওয়ার কারণ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সঠিক তথ্য শীঘ্রই আমাদের গবেষকরা জানাবেন বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গতকাল এক অনুষ্ঠানে বলেন, গত ৮ বছরে দেশে অতিসংক্রমক রোগ হামের টিকাই দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, হাসপাতালে সংকট নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকাদান কর্মসূচির কথা ভাবা হচ্ছে। যেসব শিশু এখনো হামের টিকা পায়নি, তাদের টিকার আওতায় আনতে সরকার ৬০৪ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে। টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলে সারাদেশে বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানোর কথাও ভাবছে সরকার।

এসময় রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ১১ দিনে ভেন্টিলেশনের অভাবে ৩৩ শিশুর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেটর সংকট মোকাবিলায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। চারটি ভেন্টিলেটর মেশিন সোমবারেই পৌঁছে যাবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী রামেক হাসপাতালে গিয়ে সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও ১২টি ভেন্টিলেটর পাওয়ার প্রতিশ্রুতিও পাওয়া গেছে বলে জানান মন্ত্রী।

মহাখালী সংক্রমকব্যাধি হাসপাতলের চিকিৎসক ডা. শ্রীবাস পাল বলেন, চলতি বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারির শেষের দিকে হামের আউটব্রেক শুরু হয়। ফেব্রুয়ারিতে আমাদের এই হাসপাতালে ৮৮ জন হামের রোগী ভর্তি ছিল। মার্চে সেটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছায়। এখন সেটা সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রত্যেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; ফলে আমাদের হাসপাতালে কিছুটা রোগীর চাপ কমেছে। এই চিকিৎসক আরো জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ২২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যু হওয়া শিশুদের হামের পাশাপাশি অন্য রোগেও তারা আক্রান্ত ছিল।

তিনি আরো বলেন, হাম শ্বাসলালীর রোগ। এটা জীবানুবাহিত, তবে হাম কোভিটের চেয়েও বেশি ছোঁয়াছে। এই রোগ হাসি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। মায়ের ইউমিউনিটি শিশুরা ৯ মাস পর্যন্ত পায়। ফলে মাস থেকে হামের টিকা শুরু হয়। কিন্তু কয়েকটা কারণে শতভাগ টিকার কাভারেজ শিশুরা পায় না। অনেক মা বাচ্চার টিকা নিতে ভুলে যান, সর্দি-কাশি থাকলে টিকা দেওয়া হয় না, ফলে মা বাচ্চা সুস্থ্য হওয়ার পরে টিকা দিতে নিয়ে যান না।

সেন্টারে টিকা না থাকলে পাশের সেন্টারে যাওয়ার কথা বললেও, অনেক সময় মা শিশুর টিকা নিতে যান না। এসব বাদপড়া শিশুদের জন্যে প্রতি ৪ বছর পর পর ‘ক্যাচাপ ক্যাম্পেইন’ করে সরকার। সেখানে এই বাদ পড়া শিশুদের টিকা দেওয়া হয়। এই ক্যাম্পেইন ২০২৪ সালের শেষের দিকে হওয়ার কথা ছিল; কিন্ত তা হয়নি দেশের অস্থিরতার কারণে।

ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধারণা করছিলেন, আমাদের দেশে এ ধরনের একটা আউটব্রেক হতে পারে। ২০২৫ সালে সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালে বছরজুড়ে হামের সন্দেহভাজন রোগী ছিল ৬৯ জন। এরমধ্যে হামের রোগী ছিল ২০ থেকে ৩০ জন। আর এ বছর ২৯ মার্চ পর্যন্ত এই হাসপাতালে হামের রোগী ৫৬০ জন। হটাৎ করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়াকে আউটব্রেক বলে।

মহাখালীর সংক্রমক ব্যাধি এই হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ জন রোগী ভর্তি থাকতো, সেখানে এখন প্রতিদিন ১০০ রোগী ভর্তি হচ্ছে। ১০০ বেডের এই হাসপাতালে বিভিন্ন রোগের জন্যে বেড ভাগ করা আছে। আজকেও ১০০ রোগী ভর্তি আছে। আর গত ২/৩ দিন আগে দিনে ১৫০-১৫৫ রোগী ভর্তি ছিল। আমরা নিরূপায় হয়ে হাসপাতালের প্রত্যেকটা ফ্লোরে হামের রোগী রেখেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজ রেখে রাজধানীর বাইরে সারাদেশের ১০টি হাসপাতালে হামের ওয়ার্ড তৈরী করেছে। আমাদের এই হাসপাতালে ১৯ জন চিকিৎসক আছে এবং নার্স আছে প্রতি ওয়ার্ডের জন্যে ২/৩ জন।

তিনি জানান, হামের প্রত্যেক রোগী সিভিয়ার নিউমোনিয়া নিয়ে ভর্তি হয়েছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে আউটব্রেক শুরু হয়েছে। আউটব্রেকটা সারাদেশেই হয়েছে। বিশেষ করে ২২ মার্চ থেকে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে আমাদের হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছিল।

তখন আমরা জানালাম এবং প্রত্যেকটা হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড করে চিকিৎসার নিদের্শা দেওয়া হলো এবং তখন আমাদের এখানে রোগী কমতে শুরু করে। আমাদের হাসপাতাল এবং ডিএসসিসি হাসপাতালকে রেফারেল সেন্টার হিসেবে রাখা হয়েছে। এ বছর ২০২৬ সালে হাম নিয়ে ২২ জন রোগী মারা গেছে সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালে। ।

হামের লক্ষণঃ হামের প্রথম ৩/৪ দিন কমন লক্ষণ দেখা যায়, যেমনÑজ্বর, সর্দিকাশি। এরপর তিনটা লক্ষণ আসে কফ, শরীরব্যাথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া। এরপর আসে লাল লাল র‌্যাশ। হাম সন্দহ করার আগের এক সপ্তাহ থেকে হাম ছড়াতে থাকে। তবে কারো একবার হাম হলে কিংবা টিকা নিলে সারা জীবনের জন্যে ইউনিটি পেয়ে যায়। তার আর হাম হয় না।

গতকাল রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার) পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান ইত্তেফাককে বলেন, ঈদের বিছু আগে হামের আউটব্রেকটা হয়েছে। আমরা ঢাকার সবগুলো হাসপাতাল ভিজিট করেছি। সারাদেশের বড় বড় ১০ টা হাসপাতালে আমরা হামের জন্যে আলাদা ওয়ার্ড চালু করেছি। এই রোগিগুলোকে অন্য রোগিদের সঙ্গে রাখা যায় না।

তার সঙ্গে, ঢাকাতে মিডফোর্ড হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, স্পেশালি ডিএনসিসি হাসপাতাল এবং মহাখারী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল এবং ঢাকা শিশু হাসপাতালে হামের জন্যে অলাদা করে ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

যেহেতু ঢাকা শহরে হামের রোগি বেশি। এই রোগীদের আইসিইউ প্রয়োজন হলে, তাদের অন্য আইসিইউতে রাখা যায় না। ফলে মহাখালিতে যে আইসিইউ আছে সেখানে আরো ১০ বেড়ের আইসিইউ আমরা চালু করেছি। আমরা মনিটরিং করছি, প্রয়োজন হলে অন্যান্য হাসপাতালেও আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হবে।

ঢাকার বাইরে আছে রাজশাহী, পাবনা, চাপাইনবাবগঞ্জ, বরগুনা, চিট্টগ্রাম, যশোর বেশি রোগী পাওয়া যাচ্ছে। হামের জন্যে অলাদা তেমন কোন চিকিৎসা নেই, সাধারণ জ্বরের মতোই এর চিকিৎসা। রোগীগুলো ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে সাধারণত সুস্থ্য হয়ে যায়। জ্বর নিয়ে রোগী এলে আমরা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তা সনাক্ত করছি।

তিনি বলেন, হামের রোগী মারা গেলেও আমাদের সক্ষমতা আছে। আমরা এখন একটা করে ওয়ার্ড চালু করেছি, রোগী বেশি হলে দুটা করে ওয়ার্ড চালু করবো। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে রোগী বেশি হওয়ায় আমরা ডিএসসিসি হাসপাতালে রোগী পাঠিয়েছি। ২৭ মার্চের হিসেবে সেখানে ৯৫ জন হামের রোগী ভর্তি আছে। আইসিইউ নিয়ে সরকার দ্রুত কিছু কাজ করছে, আপনারা শীঘ্রই হয়তো এর সুফল দেখতে পাবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই এন্ড সার্ভির‌্যান্স এর উপ-পরিচালক ডা. মো. শাহারিয়ার সাজ্জাদ বলেন, আমরা গ্যাভি থেকে অনুমতি পেলে ২০২৪ সালে যে ক্যাম্পেইন করার কথা ছিল সেটা করতে পারবো। বিসিজি টিকার ক্ষেত্রে যেমন শতভাগ বাচ্চাকে আমরা টিকা দিতে পারি।

কিন্তু এমআর-১ এবং এমআর-২ এটা বাচ্চার ৯ মাস পূর্ণ হলে একটা ডোজ দেয়া হয়, আরেকটা ১৫ মাস পূর্ণ হলে দেয়া হয়। যেকোন কারণেই হোক সেই কাভারেজটা আমাদের একটু কম। সেটা মায়ের দিক থেকে হোক আর আমার ইপিআই এর দিক থেকেই হোক।

এসআর-১ এর ৯২ শতাংশ শিশু টিকা পায়, আর এমআর-২ এর ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ শিশু টিকা পায়। যে শিশুরা বাদ পড়ছে তাদের জন্যে প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা যে ক্যাচাপ ক্যাস্পেইন করি, ২০২৪ এর সেই ক্যাম্পেইনটা এ বছর যত তাড়াতাদি সম্ভব আমরা করবো।

তিনি বলেন, ৯ মাস পূর্ন হওয়ার আগেই ৩৩ শতাংশ শিশুর হাম হচ্ছে, এটা কিন্তু সচরাচর হয় না। আমরা প্রথম ডোজ টিকা দেই ৯ মাস পূর্ণ হলে, কিন্তু হাম তার আগেই হয়ে যাচ্ছে। এটা ক্যানো হচ্ছেÑতা আগামীকাল আমাদের ট্যাকনিক্যাল মিটিং আছে, সেখানে সিদ্ধান্তা নিয়ে বের করতে হবে কেনো এটা হচ্ছে। আমাদের টিকা দেওয়ার টাইমটা আরো আগায় আনতে হবে কিনা।

আমরা ইতিমধ্যে গ্যাভির কাছে বিষয়টা জানিয়েছি যে টিকা নেওয়ার আগেই যেহেতু বাচ্চাদের হাম হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আমরা এই টাইমটা কি এগিয়ে আনতে পারি? গ্যাভি বলেছেন হ্যাঁ সেটা করা যেতে পারে। তবে অধিকাংশ দেশে ৯ মাসে হামের টিকা দেয়, মাত্র দুইটা দেশ শুধু ৬ মাসে হামের টিকা দেয়। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, হামের এই আউটব্রেকের কারণটা বের করতে পারলে, আমরা এটা সেইমতো মোকাবিলা করতে পারবো।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হলেই যে কোনো রোগে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এটা হতে পারে এক্সক্লুসিভ ব্রেষ্টফিডিং না হলে এটা হতে পারে। এখন অনেক বেশি কর্মজীবী নারী আছে, যে কারণে হয়তো শিশুদের ব্রেস্টফিডিং ঠিকমত হচ্ছে না। এছাড়া গত ২ বছর আমাদের ভিটামিন-এ ক্যম্পেইন হয়নি।

শিশুদের ভিটামিন-এ এবং কৃমিনাশক ওষুধও শিশুদের খাওয়ানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবে এসবও কারণ হতে পারে। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এটা ব্যাখ্যা দিতে হবে। যারা গবেষক আছেন, তারা এটা যানাবে। তিনি বলেন, কোভিটের চেয়েও হাম বেশি ছোঁয়াছে। একজন হাম রোগী ১৩ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে।

সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. তানজিনা জাহান বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে হাসপাতালের অবকাঠামো ছোট। আমাদের জনবলের সংকট আছে। পর্যাপ্ত পরিমান ডাক্তার, নার্স, তৃতীয় শ্রেণীর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আয়া, চতুর্থ শ্রেণীর ষ্টাফ, যেটা আমরা আউটসোসিংএর মাধ্যমে সমাদান করে থাকি সেই জনবলের অভাব রয়েছে।

উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, এই সমস্যা মোকাবেলায়। চেষ্টা চলছে। ডাক্তার, নার্স যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু এইচআইভি ওয়ার্ডে হাম ঢুকানো যায় না, চিকেন পক্সের সঙ্গে হাম ঢুকানো যায় না, এ জন্যে চাইলেও আমি পুরো হাসপাতালে হামের রোগী রাখতে পারছি না। এজন্য সংক্রমক ব্যাধি হাসপাতালে পরিধি বাড়াতে হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বাধিক পঠিত

Recent Comments