টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের উপরে

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার গেল জুন মাসে কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মে মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আসলেও টানা তিন মাস এই হার ৯ শতাংশের উপরে রয়েছে।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গেল মে মাসে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির চেয়ে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

মূলত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায়। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে এসেছে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিবিএস জানিয়েছে, জুন মাসের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) দেশের ৬৪টি জেলার সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রামীণ এলাকায় জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। শহরাঞ্চলেও জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ০১ শতাংশ হয়েছে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এদিকে মূল্যস্ফীতির হার কমার পাশাপাশি মজুরি সূচকও কমতে দেখা গেছে। বিবিএস এর তথ্যানুযায়ী, জুন মাসে জাতীয় মজুরি হার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা মে মাসের ৮ দশমিক ২১ শতাংশের তুলনায় সামান্য কম।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বাধিক পঠিত

Recent Comments