রংপুর নগরীর পূর্ব শালবন এলাকা থেকে মিমতাজ খাতুন (২১) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে একটি ছাত্রীনিবাসের কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুই পৃষ্ঠার লেখা একটি নোটও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মিমতাজ খাতুন রংপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারী ইউনিয়নের ঢুবনি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে। তাঁর মায়ের নাম মঞ্জুয়ারা বেগম।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পূর্ব শালবন এলাকার ওই ছাত্রীনিবাসের একটি কক্ষে একাই থাকতেন মিমতাজ। রোববার দুপুরের দিকে অন্য শিক্ষার্থীরা তাঁর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীনিবাসের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মিমতাজের মরদেহ উদ্ধার করে।
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের জানান, দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা খবর পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার পরই ছাত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থল থেকে দুই পৃষ্ঠার একটি নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত নোটটির বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



