মক্কা জোটে বাংলাদেশের যোগদানকে দেশের একান্ত নিজস্ব বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘মক্কা জোটে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থ ও জনগণের প্রয়োজনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাখে।’ এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৭ আগস্ট ২০২৬ সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে জোটটির যাত্রা শুরু হয়।
চুক্তিতে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নিজ নিজ দেশের পক্ষে অংশ নেন।
‘মক্কা জোট’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগটি মূলত একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কাঠামো। এর লক্ষ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো এবং কোনো সদস্য রাষ্ট্র সশস্ত্র হামলার শিকার হলে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করা।
জোটটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে অন্য সদস্যদের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করার নীতি। এ কারণে এটিকে অনেক সময় ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তবে মক্কা জোটকে সরাসরি ‘মুসলিম ন্যাটো’ বলা এখনই যথাযথ নয়।



