রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরু (ভিপি নূর)সহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভিপি নূরকে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর রাত ১১ টার দিকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে ভিপি নূর প্রেস ব্রিফিং করেন। ঘটনার পর ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের নেতৃত্বে বিজয়নগর হয়ে দলীয় মিছিল কাকরাইলের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করলে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনার সময় আতঙ্কে পথচারীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ উভয়পক্ষের কর্মীদের নিবৃত করার চেষ্টা করে।
পরে পুলিশের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গণঅধিকার পরিষদের মিছিলে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। তিনি জানান, দলের আহত কর্মীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হচ্ছে।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ গণমাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগের দোসরদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গণঅধিকার পরিষদের মিছিলে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। তিনি জানান, দলের আহত কর্মীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হচ্ছে।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ গণমাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগের দোসরদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে
তিনি জানান, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নিয়ে তারা পল্টন জিরো পয়েন্ট থেকে নাইটিঙ্গেল মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ পেছন থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। ওই মুহূর্তে সেখানে ৩০০-৪০০ লোক উপস্থিত ছিল। তাদের মধ্যে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরাও ছিল বলে ধারণা করছেন তারা।
জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম জানান, ‘আজকে জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে পার্টির পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা সভা ছিল। এর মধ্যে নুরের দলের লোকজন মিছিল নিয়ে এসে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। আমরাও প্রতিরোধ করেছি। আমাদের ১০-১২ জন লোক আহত হয়েছেন।



