সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও গুমের মামলার পুনঃতদন্ত চেয়েছেন তাদের আইনজীবী এবিএম হামিদুল মিসবাহ। একইসঙ্গে সেনা আইনে তাদের বিচার চেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই দাবি জানান।
ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ বলেন, সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে ট্রাইব্যুনালে। এসব মামলায় চাকরিরত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন।
তিনি বলেন, তিনটি মামলাই ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে না। যেহেতু তারা কর্মরত সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। আইন দেখলেই বোঝা যাবে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না। তাই এখানে শুধু আইসিটি আইন চিন্তা করলেই হবে না। এখানে সেনা আইনও রয়েছে। যেহেতু তারা চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা, সেহেতু বিচারটা সেনা আইনেই হওয়া সম্ভব ছিল। তবে এখনও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা আইনের মধ্যেই সুযোগটা করে দেওয়া আছে যে তাদের বিচার সেনা আইনে হতে পারে।
ব্যারিস্টার মিসবাহ বলেন, সেনা আইন থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনালের আইনকে ঘষামাজা করে সংশোধন আনা হয়েছে। যা সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অথচ সেনা আইনটি অনেক পুরোনো আইন। তাই আমরা মনে করি এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। অর্থাৎ সেনা কর্মকর্তাদের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।



