আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মিল থাকায় তরুণদের দুটি দল-গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ‘একীভূত’ হচ্ছে, এমন আলোচনার মধ্যে বিকল্প চিন্তাভাবনার কথাও জানা যাচ্ছে। তাহলে কী দুই দলের একীভূতকরণ ঝুলে গেল? এনসিপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একীভূত দলের নেতৃত্বে কার কী অবস্থান হবে, সেই বিষয়ে মতপার্থক্য দূর করা যাচ্ছে না। নেতৃত্বের হিস্যা নিয়েই মূলত একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির কেন্দ্রীয় একজন নেতা বলেন, ‘একীভূত হওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে আছে। বিকল্প অন্য কোনো উপায়ে একসাথে পথ চলা যায় কি না, সেই বিষয়টিও দুই দলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে।’ দল দুটির একীভূতকরণের খবরটি গণমাধ্যমে আসে গত সপ্তাহে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকারের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর আহত হওয়ার পর দুই দলের নেতাদের মধ্যে একত্রিত হওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু হয়। পরে একীভূত হওয়ার জন্য দল দুটির শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ১৫ জন প্রতিনিধি কয়েক দফায় আলোচনাও করেছিলেন। এনসিপির আহ্বায়ক মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন একীভূত হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তবে দুই দলের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা একীভূত হওয়া যতটা সহজ ভেবেছিলেন, বিষয়টি ততটাই কঠিন বলে মনে করছেন এখন। তাই একীভূত হওয়ার বিকল্প হিসেবে জোটবদ্ধ আন্দোলন কিংবা বিষয়ভিত্তিক আন্দোলনের চিন্তা করছেন শীর্ষ নেতারা।



