ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি’ প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে স্পন্দনবি-এর উদ্যোগে এবং ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগের জন্য তিনি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের পরমতসহিষ্ণুতা, নিয়মানুবর্তিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক সদস্য অধ্যাপক ড. এহসানুল হক বলেন, অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতন হওয়া। শুধু প্রথম হওয়ার জন্য অযথা চাপ দেওয়া ঠিক নয়। জ্ঞান ও প্রজ্ঞা—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ হলেও আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রজ্ঞার।
ইমদাদ-সিতারা খান ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিতারা খান বলেন, এই বৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; এটি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের একটি উদ্যোগ। তিনি বলেন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইমদাদ এইচ খান বিশ্বাস করতেন, প্রকৃত সাফল্য নিজের অর্জনে নয়, বরং অন্যের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মধ্যেই নিহিত।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে স্পন্দনবি-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. আমেনা বেগম বলেন, ইমদাদ-সিতারা খান বৃত্তি শুধু একটি বৃত্তি কর্মসূচি নয়; এটি মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। গত ২২ বছরে এ কর্মসূচি হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।



